
প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, কারখানাটি নিয়ম লঙ্ঘন করে রোববারও (১৯ এপ্রিল) চালু রাখা হয়েছিল। যদিও এদিন নির্ধারিত সাপ্তাহিক বন্ধ থাকার কথা। দুর্ঘটনার সঠিক কারণ অনুসন্ধান করছে কর্তৃপক্ষ। পাশাপাশি দায়ীদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে চারটি বিশেষ তদন্ত দল গঠন করা হয়েছে।
ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু এই দুর্ঘটনাকে ‘গভীরভাবে মর্মান্তিক’ বলে উল্লেখ করে আহতদের দ্রুত সুস্থতা কামনা করেছেন। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ এবং বিরোধীদলীয় নেতা রাহুল গান্ধীও একই ধরনের শোকবার্তা দিয়েছেন।
অন্যদিকে, তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী এম কে স্টালিন সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে ক্ষতিগ্রস্তদের প্রয়োজনীয় সহায়তা দেয়ার নির্দেশ দিয়েছেন। রাজ্যের মন্ত্রী কেকেএসএসআর রামচন্দ্রন ও থাঙ্গাম থেন্নারাসুকে ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার তৎপরতা তদারকিরও নির্দেশ দেন তিনি।
আতশবাজি উৎপাদনের অন্যতম প্রধান কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত তামিলনাড়ুর বিরুধুনগরে গত কয়েক বছরে একাধিক অগ্নিকাণ্ড ও বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। ২০২৬ সালের ১৩ এপ্রিল বিরুধুনগর জেলার সাট্টুরের কাছে মাদাথুপট্টিতে অবস্থিত এক্সেল আতশবাজি কারখানায় বড় ধরনের বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে।
এর আগে ২০২৪ সালের ১৭ ফেব্রুয়ারি তামিলনাড়ুর বিরুধুনগর জেলার একটি আতশবাজি কারখানায় বিস্ফোরণের পর আগুন লেগে ১০ জন নিহত হন এবং সাতজনের বেশি আহত হন। একই বছরের ২৯ জুন আরেকটি আতশবাজি কারখানায় বিস্ফোরণে চারজন নিহত হন এবং একজন আহত হন।
সূত্র: ইন্ডিয়া টুডে
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।



