
এই প্রক্রিয়ায় একটি বক্সে কাঠের টুকরোসহ মৃতদেহ রাখা হবে। এরপর ঐ বাক্সের ভেতরেই বেড়ে ওঠবে কিছু গাছপালা। এরপর ধীরে ধীরে বক্সটিকে ঘোরানো হবে। এর ৩০ দিনের মাথায় মৃতদেহটি পচে যাবে। এই মৃতদেহ থেকে উৎপন্ন সার তার আত্বীয়স্বজনদের দিয়ে দেয়া হবে, যাতে তারা ঐ সার দিয়ে গাছপালা রোপণ করতে পারেন।
শবদাহে যে পরিমাণ কার্বন উৎপণ্য হয় তা এ পদ্ধতির মাধ্যমে লাঘব করা সম্ভব। এতে করে এক টনের বেশি কার্বন নিঃসরণ বন্ধ করা যাবে। কবরস্থানের সংকট মেটাতেও সাহায্য করবে এটি।
রিকম্পোজের প্রধান নির্বাহী ও প্রতিষ্ঠাতা ক্যাটরিনা স্প্যাড বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে হুমকির মুখে পড়ছে পরিবেশ। যা আসলেই উদ্বেগজনক। তাই অনেকেই এই পদ্ধতির প্রতি আগ্রহ প্রকাশ করছেন। এরই মধ্যে ১৫,০০০ আগ্রহী আমাদের নিউজলেটারে সই করেছে। যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটনে এ পদ্ধতিকে বৈধ করা হয়েছে।
১৩ বছর আগে তিনি এই প্রক্রিয়াটি বাস্তবায়ন করার কথা ভেবেছিলেন। গত বছর বেশ কয়েকটি সাক্ষাৎকারেও তিনি তার এই পদ্ধতি নিয়ে কথা বলেছেন।
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।



