Advertisement
আন্তর্জাতিক ডেস্ক : মিসরে গত শনিবার ৩ অক্টোবর থেকে চারদিনে মোট ১৫ জন রাজনৈতিক বন্দীর ফাঁসি কার্যকর করল দেশটির সিসি সরকার। একটি মানবাধিকার সংগঠন ও বন্দিদের পরিবার সংবাদমাধ্যম মিডল ইস্ট আইকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। দেশটিতে মৃত্যুদণ্ড সংক্রান্ত বিষয়াদি পর্যবেক্ষণকারী সংগঠন উই রেকর্ড সূত্রে জানা যায়, ফাঁসি হওয়া এসব ব্যক্তি ২০১৪ সালে কারাগারে বন্দী ছিলেন। তিনটি মামলায় এসব ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়। মামলাগুলোকে ‘রাজনৈতিক’ বলে বর্ণনা করেছে উই রেকর্ড।

সংগঠনটির একজন মুখপাত্র জানান, এই মৃত্যুদণ্ড কার্যকর ‘অবৈধ’। আটককৃতদের বেশির ভাগই দোষী সাব্যস্ত হওয়ার আগে জোরপূর্বক অপহরণ ও নির্যাতনের শিকার হয়েছিলেন। ফাঁসি হওয়া বন্দিদের মধ্যে ইয়াসির আবাসিরি এবং ইয়াসির শাকর দুজনই দেশটির নিষিদ্ধ ঘোষিত ইসলামি সংগঠন মুসলিম ব্রাদারহুডের নেতা।

২০১৩ সালে ব্রাদারহুড সমর্থিত সরকারকে ক্ষমতাচ্যুত করতে সামরিক ক্যুর বিরুদ্ধে বিক্ষোভ করার অভিযোগে আলেকজান্দ্রিয়া শহর থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল তাদের। ওই ক্যুর মাধ্যমে মিসরের ক্ষমতায় আসেন সেনাপ্রধান জেনারেল আবদেল ফাতাহ আল-সিসি। এরপর বিরুদ্ধমত দমনসহ ব্রাদারহুডের নেতা-কর্মীদের গ্রেপ্তার, নির্যাতন ও ফাঁসি দেয়ার অভিযোগ উঠে প্রেসিডেন্ট সিসির বিরুদ্ধে।
বিরোধী রাজনৈতিক কর্মীদের ফাঁসি দেয়ার সর্বশেষ এ ঘটনার মধ্যে দিয়ে সিসির আমলে এখন পর্যন্ত ৭৯ জনকে এ শাস্তি দেয়া হলো। চলতি বছরেই ফাঁসি দেয়া হয়েছে ২০ জনকে।

লন্ডন ভিত্তিক মানবাধিকার গবেষক আহমেদ আল-আতার বলেন, ‘ফাঁসি কার্যকর হওয়া ব্যক্তিদের অধিকাংশই দুর্ধর্ষ স্করপিয়ন প্রিজনে বন্দী ছিলেন। কারাগারটিতে শত শত রাজনৈতিক বন্দীকে আটকে রাখা হয়েছে।’ গত মাসে কারাগারটিতে বিক্ষোভে ৩ পুলিশ সদস্য এবং চারজন বন্দী নিহত হয়েছিলেন। সূত্র : পার্সটুডে

Zoom Bangla News
Zoom Bangla News
inews.zoombangla.com
Follow

Follow Zoom Bangla News On Google

Open the Google follow page and tap the checkmark option to receive more updates from Zoom Bangla News in your Google news feed.

Follow Zoom Bangla News On Google

Saiful Islam is a journalist at Zoom Bangla News with seven years of experience in news writing and editorial work. He contributes to producing accurate, well-structured, and reader-focused content across digital platforms. His work reflects a strong commitment to editorial standards and responsible journalism.