
কেয়ারটেকার রেনু বেগম বলেন, বাড়ির মালিক হাজি রমজান আলীর সঙ্গে কথা বলেই অন্যান্য মালিকদের সঙ্গে নিয়ে তালা ঝুলিয়েছিলাম। অপর মালিক মো. মাছুম, সাইদ ও বিনা বলেন, আমরা ছাত্রীনিবাসের মালিকরা এক হয়ে সিদ্ধান্ত নিয়েছি আগাম দুই মাসের ভাড়া ছাড়া কাউকে বই, কাপড়-চোপড় নিয়ে বাড়ি যেতে দেয়া হবে না। তাই সবাই মিলে ভাড়া না দেয়ায় তালাবদ্ধ করা হয়।
ওই ছাত্রীনিবাসের ছাত্রী বিথী জানান, মে মাস পর্যন্ত ভাড়া পরিশোধ করা হয়েছে। আগাম আরো দুই মাস জুন, জুলাই মাসের ভাড়া চায়। করোনার সময় বিভিন্ন ছাত্র ও ছাত্রীনিবাসের মালিকরা জোট হয়ে এভাবে নির্যাতন করছে। ভাড়াও তারা বেশি নেয়।
বগুড়া স্টেডিয়াম ফাঁড়ির এসআই জাহাঙ্গীর আলম জানান, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে পাঁচ ছাত্রীকে তালাবদ্ধ রাখা অবস্থা থেকে উদ্ধার করে বাড়িতে পাঠিয়ে দেয়া হয়। ওই ছাত্রীনিবাসটিতে প্রায় ৫০ জন ছাত্রী থাকতো।
বগুড়ার সরকারি আজিজুল হক কলেজের ছাত্র-ছাত্রীরা হলে সিট না পেয়ে কলেজের পাশেই কামারগাড়ী জহুরুল নগর, পুরান বগুড়া, জামিলনগরে প্রায় ৫০০টি ছাত্রাবাস ও ছাত্রীনিবাসে থেকে ১০ হাজারের অধিক ছাত্র-ছাত্রী পড়া লেখা করেন। অধিক ভাড়া হলেও হলে সিট না পেয়ে এবং কলেজের কাছে হওয়ায় বাধ্য হয়েই সেখানে থাকছেন তারা। এসব ছাত্র-ছাত্রীর বেশির ভাগই অন্য জেলা থেকে এসে পড়ালেখা করেন।
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।



