
বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, গত ২০১৭ সালের ১৮ জুলাই বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কাছে যৌন হয়রানীর অভিযোগ এনে অভিযোগ করেন এক ছাত্রী। এছাড়াও ২০১৮ সালের ১৬ জানুয়ারী রমজান আলীর স্ত্রী যৌতুক ও ছাত্রীর সাথে অণৈতিক সম্পর্কের অভিযোগ এনে লিখিত অভিযোগ দেন বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনে। এ ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন উচ্চ আদালতের নির্দেশনায় গঠিত তদন্ত কমিটি অভিযোগ তদন্ত করে সত্যত্বা পায়। পরে কমিটি ২০১৮ সালের ২ জুলাই প্রতিবেদন জমা দেয় এবং রমজান আলীকে চুড়ান্ত বহিষ্কারের সুপাররিশ করে। বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি সুত্র বহিস্কৃত শিক্ষকের বিরুদ্ধে ছাত্রী’র করা অভিযোগই গুরুত্ব পেয়েছে এবং সত্যতা প্রমান হওয়ায় চাকুরীচ্যুতির চুড়ান্ত স্বিদ্ধান্ত গ্রহন করা হয়েছে।
পরে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন রমজান আলীকে সাময়িক বহিষ্কার করলেও তাকে চুড়ান্তভাবে বহিস্কার করেনি। এ ঘটনায় দিনাজপুরের মহিলা পরিষদসহ বিভিন্ন সামাজিক সংগঠন এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের সংগঠন মানববন্ধন, রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রীসহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরে স্মারলিপিসহ, সংবাদ সম্মেলন করে ও আন্দোলন করে।
এ নিয়ে বিভিন্ন গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশিত হলে শিক্ষামন্ত্রী দিপু মনি ২০১৯ সালের ৯ জুলাই ইউজিসিকে তদন্ত করে ব্যবস্থা গ্রহনের নির্দেশ দেয়। এর প্রেক্ষিতে ইউজিসি বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিষ্ট্রারের কাছে রমজান আলীর বিষয়ে কি ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে দ্রুত সে তথ্য প্রেরণ করতে বলে।
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।



