মাদারীপুরে মানবপাচার মামলায় কুলসুম বেগমকে (৪২) গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে এ ঘটনায় এখনও পলাতক তার জামাই কুদ্দুস রহমান (৩৫)।

শনিবার (১৩ জুন) রাতে শিবচর উপজেলার কেরানীবাট এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে রোববার (১৪ জুন) দুপুরে কুলসুমকে আদালতে পাঠায় পুলিশ।
গ্রেপ্তার কুলসুম বেগম শিবচরের কেরানীবাট গ্রামের সামাদ খানের মেয়ে ও কুদ্দুস রহমানের শাশুড়ি।
মামলার এজাহারে বলা হয়, সদর উপজেলার চর খোয়াজপুর গ্রামের মৃত বজুল হাওলাদার ছেলে সালাউল্লাহকে (২২) সরাসরি ইতালি নেওয়ার চুক্তি হয় শিবচর উপজেলার বাঁশকান্দি গ্রামের আতাউর রহমানের ছেলে কুদ্দুসের সঙ্গে। চুক্তি মোতাবেক ২০ লাখ টাকা দিলে ২০২৫ সালের ২৯ অক্টোবর সানাউল্লাহকে সৌদি আরব হয়ে লিবিয়া নিয়ে আটকে নির্যাতন চালায় দালালচক্র। পরে নির্যাতনের ভিডিও বার্তা পাঠিয়ে সানাউল্লাহর পরিবারের কাছ থেকে আদায় করা হয় মুক্তিপণের আরও ২০ লাখ টাকা। ধারদেনা করে তাদের হাতে মোট ৪০ লাখ টাকা তুলে দিলেও গত ৬ মাস ধরে কোনো হদিস মিলছে না ওই যুবকের। পবিবার আশঙ্কা করছে সানাউল্লাহকে নির্যাতন করে মেরে ফেলেছে দালালচক্র।
এ ঘটনায় গত ১ জুন সানাউল্লাহর দুলাভাই দুধখালী গ্রামের আব্দুর রশিদ খানের ছেলে রনি খান (৩৭) বাদী হয়ে মাদারীপুরের মানবপাচার প্রতিরোধ ও দমন ট্রাইব্যুনাল আদালতে চক্রের মুলহোতা কুদ্দুসসহ ১১ জনের নামে মামলা করেন। পরে আদালতের নির্দেশে সদর মডেল থানায় মামলা এজাহারভুক্ত করা হয়। পরে কুদ্দুসের শাশুড়িকে গ্রেপ্তার করে সদর মডেল থানা পুলিশ।
আরও পড়ুনঃ
মাদারীপুর সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল কালাম আজাদ জানান, মানবপাচার মামলায় শাশুড়িকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। জামাইসহ বাকি আসামিদের ধরতে পুলিশের অভিযান চলছে।
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।



