
সোমবার কিছু অর্থনৈতিক তথ্য প্রকাশ করেছে চীন। তথ্যগুলো বলছে বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম অর্থনীতিটি যে কোনও সময় এই ক্ষতি মোকাবেলা করার অবস্থানে নেই।
ইউরোপ ও উত্তর আমেরিকার কেন্দ্রীয় ব্যাংকগুলো অতি মহামারি কোভিড-১৯ জনিত ক্ষতি পুষিয়ে নিতে বড় ধরনের উদ্যোগ নিতে শুরু করেছে। এশিয়া এখনও উচ্চ সতর্কতার মধ্যে রয়েছে। যেভাবে বৈশ্বিক পুঁজিবাজারগুলো নিম্নমুখি হচ্ছে, বিশ্লেষকরা বলছেন, বিপর্যয় এখন সময়ের ব্যাপার মাত্র।
অন্যের টাকায় কোটিপতি হওয়া দম্পতি গ্রেপ্তার ≣ ২০ বছর পর ঢাকায় আসছেন নেপালের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ≣ [১] আশুলিয়া ও ধামরাইয়ে আনসারুল্লাহ বাংলা টিমের নারীসহ ৫ গ্রেপ্তার
ফেডারেল রিজার্ভ বোর্ডের সাবেক গবেষণা প্রধান ডেভিড উইলকক্স বলেন, ‘১০দিন আগে কিছু স্বাভাবিক অস্থিরতা ছিলো। ১০ দির পর সেটি আতঙ্কে পরিণত হয়েছে।’
গত এক সপ্তাহে মানুষের দৈনন্দিন জীবনযাপনে নাটকীয় পরিবর্তন এসেছে। চীনা অর্থনীতির প্রতিটি খাত ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির মুখে পড়েছে। খুচরা বিক্রি কমেছে ২০.৫ শতাংশ। শিল্প উৎপাদন কমেছে ১৩.৫ শতাংশ, স্থায়ী সম্পদ বিনিয়োগ কমেছে ২৫ শতাংশ।
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।



