Advertisement
আন্তর্জাতিক ডেস্ক : সুয়েজ খালে মালবাহী জাহাজ ‘এভার গিভেন’ আটকে যাওয়ায় প্রতিদিন ৯৬০ কোটি টাকার পণ্য পরিবহন আটকে আছে। এর ফলে প্রতি ঘণ্টায় ক্ষতি হচ্ছে ৪০ কোটি ডলার। পণ্য পরিবহন বিষয়ক জার্নাল লয়েড’স লিস্টে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

আন্তর্জাতিক পণ্য পরিবহনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ পথ পীত সাগর ও ভূমধ্যসাগরকে সংযুক্ত করেছে সুয়েজ খাল। লয়েড’স লিস্ট জানায়, এই খালের পশ্চিম দিক দিয়ে প্রতিদিন গড়ে ৫১০ কোটি ডলার ও পূর্ব দিক দিয়ে প্রতিদিন ৪৫০ কোটি ডলারের পণ্য পরিবহন করা হয়।

মঙ্গলবার জাহাজটি সুয়েজ খালের তলানির সঙ্গে আটকে যায়। জাহাজটি সুয়েজ খালের মাঝ বরাবর আটকে যাওয়ায় দুদিক থেকে আর কোনো জাহাজ চলাচল করতে পারছে না। এটি ছাড়ানো জন্য চেষ্টা অব্যাহত থাকলেও এতে কয়েক সপ্তাহ পর্যন্ত লেগে যেতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

তাইওয়ানের কোম্পানি এভারগ্রিন মেরিন জাহাজটি পরিচালনার দায়িত্বে রয়েছে। এর দৈর্ঘ্য পাঁচটি ফুটবল মাঠের সমান যা বিশ্বের সবচেয়ে বড় মালবাহী জাহাজের একটি। দুই লাখ টনের এই জাহাজে একসঙ্গে ২০ হাজার কন্টেইনার পরিবহন করা যায়।

সুয়েজ খালের মধ্য দিয়ে বিশ্বের মোট বাণিজ্যের ১২ শতাংশ পণ্য পরিবাহিত হয়। লয়েড’স লিস্ট জানায়, জাহাজটির দুই দিকে ১৬০টিরও বেশি জাহাজ আটকে আছে। এর মধ্যে ৪১টি মালবাহী ও ২৪টি তেলবাহী জাহাজ রয়েছে। এসব মালবাহী জাহাজে যেসব পণ্য রয়েছে তার মধ্যে আছে কাপড়, আসবাবপত্র, উৎপাদনের উপকরণ ও গাড়ির যন্ত্রাংশ।

পানামায় নিবন্ধনকৃত ‘এভার গিভেন’ জাহাজটি চীন থেকে নেদারল্যান্ডে পণ্য পরিবহন করছিল। স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার ৭:৪০ মিনিটের দিকে এটি আটকা পড়ে।

এভারগ্রিন মেরিন জানিয়েছে, ধারণা করা হচ্ছে, জাহাজটি হঠাৎ প্রবল বাতাসের কবলে পড়ার কারণে এর হাল বিচ্যুত হয়ে যায় এবং দুর্ঘটনাবসত জাহাজের তলা আঘাতপ্রাপ্ত হয়। তখন এটি খালের তলানির সঙ্গে আটকে যায়।

সূত্র: বিবিসি

Zoom Bangla News
Zoom Bangla News
inews.zoombangla.com
Follow

Follow Zoom Bangla News On Google

Open the Google follow page and tap the checkmark option to receive more updates from Zoom Bangla News in your Google news feed.

Follow Zoom Bangla News On Google

Saiful Islam is a journalist at Zoom Bangla News with seven years of experience in news writing and editorial work. He contributes to producing accurate, well-structured, and reader-focused content across digital platforms. His work reflects a strong commitment to editorial standards and responsible journalism.