
সহিংস এ ঘটনার সমালোচনা করে অঞ্চলটিতে যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্য হস্তক্ষেপ করছে বলে অভিযোগ ব্রিটেনে নিযুক্ত চীনা রাষ্ট্রদূতের। এদিকে, সংঘাতের ঘটনায় গভীর উদ্বেগ জানিয়ে সবপক্ষকে আলোচনায় বসার আহ্বান জানিয়েছে ওয়াশিংটন।
সোমবার হংকং পলিটেকনিক ইউনিভার্সিটির আশাপাশে গণতন্ত্রপন্থিদের সঙ্গে নিরাপত্তা বাহিনীর দফায় দফায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। কয়েকদিন ধরে বিক্ষোভকারীদের দখলে থাকা পলিটেকনিক ইউনিভার্সিটি পুলিশ নিয়ন্ত্রণে নিতে গেলে উভয় পক্ষ সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। এতে শ্বাসরুদ্ধকর পরিস্থিতি তৈরি হয়।
এসময় ইউনিভার্সিটির প্রবেশপথে বড় ধরনের অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। দু পক্ষের সংঘর্ষে আহত হন বেশ কয়েকজন। তবে এখনও শতাধিক আন্দোলনকারী অবস্থান করায় ক্যাম্প ঘিরে রেখেছে পুলিশ। বিক্ষোভকারীদের ঘরে ফিরে যাওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন অঞ্চলটির প্রধান নির্বাহী ক্যারি লাম।
হংকংয়ের নির্বাহী প্রধান ক্যারি লাম বলেন, গেল রাতে ক্যাম্পোসে সহিংসতার খবর পেয়েছি। এ বিষয়ে আমরা খুবই চিন্তিত। সবাইকে ক্যাম্পাস ত্যাগের নির্দেশ দিচ্ছি। কোন ধরনের অশান্তি চাই না।
সহিংসতার তীব্র সমালোচনা করেছেন ব্রিটেনে নিযুক্ত চীনা রাষ্ট্রদূত লিউ জিয়াওমিং। লন্ডনে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি অভিযোগ করে বলেন, হংকং-এর চলমান ঘটনায় যুক্তরাজ্যে ও যুক্তরাষ্ট্র হস্তক্ষেপ করছে।
যুক্তরাজ্যে নিযুক্ত চীনা রাষ্ট্রদূত লিউ জিয়াওমিং বলেন, ব্রিটিশ সরকার চীনের হংকং ইস্যুতে যে প্রতিবেদেন প্রকাশ করেছে এতে চরম দায়িত্বজ্ঞানহীনের পরিচয় দেয়। হংকং বিষয়ে মিথ্যা প্রচারণার তথ্য পাওয়া গেছে। যা কোনভাবে কাম্য নয়।
চলমান ঘটনায় উদ্বেগ জানিয়ে সব পক্ষকে আলোচনায় বসার আহ্বান জানিয়েছেন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাইক পম্পেও। পলিটেকনিক ইউনিভার্সিটিসহ অন্য জায়গায় যে সহিংসতার ঘটনা ঘটছে তা নিয়ে ওয়াশিংটন উদ্বিগ্ন বলেও জানান মার্কিন পরাষ্ট্রমন্ত্রী।
গত ৯ জুন থেকে অপরাধী প্রত্যর্পণ বিল বাতিলের দাবিতে বিক্ষোভ শুরু হয়। তবে তীব্র আন্দোলনের মুখে তা বাতিল করা হলেও নানা দাবিতে আন্দোলন অব্যাহত রেখেছে হংকং-এর গণতন্ত্রপন্থিরা।
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।



