যুক্তরাজ্যের সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, ওমান উপকূলে হরমুজ প্রণালি দিয়ে যাওয়ার সময় একটি ট্যাঙ্কার গোলার আঘাতে অগ্নিকাণ্ডের শিকার হয়েছে। খবর আল-জাজিরার।

গত ফেব্রুয়ারির শেষের দিকে ইরানের ওপর মার্কিন-ইসরায়েল যুদ্ধ শুরু হওয়ার আগে গুরুত্বপূর্ণ এই জলপথটি দিয়ে বিশ্বের এক-পঞ্চমাংশ তেল ও প্রাকৃতিক গ্যাস পরিবাহিত হতো। মঙ্গলবার (৭ জুলাই) ভোরের এই হামলাটি হরমুজ প্রণালি দিয়ে চলাচলকারী জাহাজের ওপর সর্বশেষ আক্রমণের ঘটনা।
ইরানি টেলিভিশন জানিয়েছে, তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) বহনকারী ট্যাঙ্কারটি সতর্কতা উপেক্ষা করার পর হামলার শিকার হয়, তবে তেহরান সরাসরি এই হামলার দায় স্বীকার করেনি।
তেহরান বারবার দাবি করে আসছে যে, হরমুজ প্রণালিতে কেবল তাদের অনুমোদিত রুটটিই নিরাপদ। ওমান উপকূলের কাছাকাছি অন্য একটি রুট ব্যবহার করা অন্যান্য জাহাজে হামলার পেছনেও ইরানকে সন্দেহ করা হচ্ছে।
যুক্তরাজ্যের মেরিটাইম ট্রেড অপারেশনস কেন্দ্র জানিয়েছে, ট্যাঙ্কারটি হরমুজ প্রণালির ওমান অংশের লিমাহ নামক এলাকার কাছাকাছি আক্রান্ত হয়। জাহাজটি যখন প্রণালি থেকে দক্ষিণ দিকে ওমান উপসাগরের অভিমুখে যাচ্ছিল, ঠিক তখন একটি গোলা সেটির বাম পাশে আঘাত হানে।
আল-জাজিরার প্রতিবেদন বলছে, ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে যুদ্ধবিরতি ও স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠার আলোচনা আপাতত স্থগিত রয়েছে। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুদ্ধের শুরুর দিকে নিহত ইরানের সাবেক সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির দাফন প্রক্রিয়া সম্পন্ন না হওয়া পর্যন্ত এই আলোচনা শুরু হওয়ার সম্ভাবনা কম।
আরও পড়ুন : ২০২৬ সালে যে ৮ দক্ষতা আপনাকে সফলতা এনে দেবে
সোমবার (৬ জুলাই) রাতে খামেনির মরদেহ শিয়া সম্প্রদায়ের অন্যতম পবিত্র ও ধর্মীয় শিক্ষাকেন্দ্রের শহর কোমে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার (৭ জুলাই) সেখানে হাজার হাজার শোকাতুর মানুষ তার প্রতি শেষ শ্রদ্ধা নিবেদন করছেন।
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।



