
প্রত্যক্ষদর্শী আরেক ট্রাকের চালক টিটু জানান, তারা কয়েকটি ট্রাকে করে পাথর নিয়ে সোনামসজিদ থেকে ফরিদপুরের উদ্দেশ্যে যাচ্ছিলেন। পাথর বোঝাই একটি ট্রাক ( কুষ্টিয়া ট-১১-১৭৮৯) চালাছিলেন ইসাহাক।
পথে তিনি তার হেলপার হোসেন আলীকে চালকের আসনে বসিয়ে কেবিনে ঘুমাতে যান। ট্রাকটি খড়খড়ি বাইপাস এলাকায় হেলপার নিয়ন্ত্রণ হারান। ওই সময় রাস্তার পাশে থেমে থাকা আরেকটি ট্রাকের পেছনের অংশের সঙ্গে ধাক্কা দেন। এতে ট্রাকটির সামনের অংশ দুমড়ে-মুচড়ে যায়। কেবিনে আটকা পড়েন চালক ইসাহাক ও হেলপার হোসেন আলী। খবর পেয়ে উদ্ধারকর্মীরা আসে।
ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স রাজশাহী সদর দপ্তরের উপ-সহকারী পরিচালক জাকির হোসেন জানান, দুর্ঘনাকবলিত ট্রাকটি চালাচ্ছিলেন হেলপার। তিনি নিয়ন্ত্রণ হারালে এ দুর্ঘটনা ঘটে। দুর্ঘটনার পর চালক কেবিনে এবং চালকের আসনে থাকা হেলপার স্টিয়ারিং এর সঙ্গে আটকা পড়েন। খবর পেয়ে রাজশাহী সদর ও নওহটা ফায়ার স্টেশনের দুটি দল তাদের উদ্ধার করে। রামেক হাসপাতালে নেয়ার পর দায়িত্বরত চিকিৎসক চালককে মৃত ঘোষণা করেন।
রাজশাহী নগরীর চন্দ্রিমা থানা পুলিশের উপ-পরিদর্শক (এসআই) রবিউল ইসলাম জানান, মরদেহ রামেক হাসপাতাল মর্গে নেয়া হয়েছে। এছাড়া আহত হেলপার রামেক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। দুর্ঘটনাকবলিত ট্রাকটি উদ্ধার করা হয়েছে। নিয়ে আইনত ব্যবস্থা নিচ্ছে পুলিশ।
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।



