
মিয়ানমারের পেঁয়াজ পাইকারিতে ৭০-৮০ টাকা হলেও, খুচরায় ছিল ১৪০ টাকার উপরে। এছাড়া মিসরীয় পেঁয়াজ খুচরায় ১২০-১২৫ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছিল।
চীনা আদার দাম ১৯০ টাকা থেকে কমে ১৪০ টাকায় বিক্রি হয়। শীতকালীন সবজি ও মুরগির দাম ছিল নিম্নমুখী।
ক্রেতারা বলছেন, প্রশাসনের নজরদারির অভাবে খুচরা বাজারে পেঁয়াজের দাম কমছে না। শুক্রবার বন্ধ থাকায় খাতুনগঞ্জে সেভাবে বেচাবিক্রি হয়নি পেঁয়াজ। হাতেগোনা কয়েকটি দোকান খোলা ছিল। ফলে খুচরায় প্রভাব পড়েনি।
খাতুনগঞ্জের পেঁয়াজ ব্যবসায়ী মহিউদ্দিন মাহি যুগান্তরকে বলেন, ‘মিয়ানমারের পেঁয়াজ আমদানি বেড়েছে। ফলে বাজারে পেঁয়াজের দাম অনেক কম। এছাড়া দেশি পেঁয়াজও জমি থেকে তোলা শুরু হয়েছে। দাম আরও কমবে।’
এদিকে চট্টগ্রাম নগরীতে শীতকালীন সবজির সরবরাহ বাড়তে থাকায় দামও কমতে শুরু করেছে। গত সপ্তাহেও ফুলকপি ও শিম ৮০-৯০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হলেও শুক্রবার ৫০-৬০ টাকায় বিক্রি হয়। বাঁধাকপি ও মুলার কেজি ৫০ টাকা কমে ৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।



