
গতকাল সোমবার সন্ধ্যায় ফতুল্লার পাগলা পশ্চিম নন্দলালপুর নাককাটা বাড়ি এলাকার আমানউল্লাহ প্রধানের বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। তবে পরিবারের দাবি- রোকসানা মানসিক ভারসাম্যহীন।
নিহত আশফাক জামান জাহিন ওই এলাকার খন্দকার নুরুজ্জামান মারুফের ছেলে। খন্দকার নুরুজ্জামান মারুফ তার স্ত্রী রোকসানা আক্তার, দুই ছেলে ও এক মেয়েকে নিয়ে আমানউল্লাহ প্রধানের বাড়িতে ভাড়া থাকতেন।
এদিকে আড়াই বছরের শিশুকে ছাদ থেকে ফেলে হত্যার ঘটনা পরিবারের সদস্যরা ধামাচাপা দেয়ার চেষ্টা করেছিল। কিন্তু স্থানীয়দের চাপের মুখে এবং সংবাদকর্মীদের তৎপরতায় পুলিশ ঘটনার সংবাদ পেয়ে রাত সাড়ে ১০টার দিকে নিহত শিশুর মা রোকসানা আক্তারকে আটক করে।
ফতুল্লা মডেল থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আসলাম হোসেন বলেন, প্রথমে ঘটনাটি বিশ্বাস করতে পারিনি। পরে ঘটনাস্থলে গিয়ে ঘটনার সত্যতা পাই। সন্ধ্যার সময় চার তলা বাড়ির ছাদ থেকে শিশু জাহিনকে তার মা রোকসানা আক্তার ফেলে দেন। তাৎক্ষণিক বিষয়টি জানতে পেরে পরিবারের সদস্যরা শিশুটিকে ঢাকা মেডিকেল হাসপাতালে নিয়ে যায়। পরে কর্তব্যরত চিকিৎসক শিশুটিকে মৃত ঘোষণা করেন।
ওসি বলেন, নিহত শিশুর মা রোকসানাকে রাতেই আটক করা হয়। তবে পরিবারের পক্ষ হতে বলা হচ্ছে রোকসানা মানসিক ভারসাম্যহীন। আমরা বিষয়টি নিয়ে পরিবারের সঙ্গে আলোচনা করে পরবর্তী পদক্ষেপ নেব।
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।


