
সোমবার দুপুরে কুষ্টিয়ার বিশেষ জজ আদালতের বিচারক মো. আশরাফুল ইসলাম এ রায় ঘোষণা করেন। অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় অপর আসামি কায়মুদ্দিন খানকে খালাস দেয়া হয়।
মোস্তফা হাওলাদার কুষ্টিয়া জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট কোর্টে সিএসআই পদে কর্মরত ছিলেন। ২০১০ সালের ১০ আগস্ট তিনি অবসরে যান। তিনি ভোলা সদর উপজেলার আলগী গ্রামের জয়নাল আবেদীনের ছেলে।
দুদকের নিযুক্ত কৌঁসুলি আল মুজাহিদ হোসেন মিঠু জানান, ২০১২ সালের ১২ ডিসেম্বর ৬৩ হাজার ২০০ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ এনে জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মামলা করেন দুদকের কুষ্টিয়ার সাবেক উপ-সহকারী পরিচালক শাহার আলী। মামলায় সিএসআই মোস্তফা হাওলাদার ও অপর কোর্ট পরিদর্শক কায়মুদ্দিন খানকে আসামি করা হয়।
মামলার কার্যক্রম শুরু হলে মোস্তফা হাওলাদার ও কায়মুদ্দিন খানের বিরুদ্ধে আদালতে চার্জশিট দেয় দুদক। মামলার পর মোস্তফা হাওলাদারকে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানো হয়। এ মামলায় ১২ জন সাক্ষীর মধ্যে ১০ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করে আদালত।
কৌঁসুলি মিঠু আরো জানান, মোস্তফা হাওলাদারকে পেনাল কোডের ২১৮ ধারায় ভুল লিপি প্রণয়নের অপরাধে এবং ১৯৪৭ সালের দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনের ৫(২) ধারার অসদাচরণ অপরাধে দোষী সাব্যস্ত করা হয়েছে। তাকে প্রথম ধারায় এক বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং দ্বিতীয় দফায় দুই বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও ৭০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে চার মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেয়া হয়।
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।



