
বৃহস্পতিবার নগর পুলিশ কমিশনার কার্যালয়ে অ্যাপটির আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করা হয়। প্রাথমিকভাবে নগরীর ১৬ থানা এলাকার গৃহবন্দি (হোম কোয়ারেন্টিন) থাকা ব্যক্তিরা এটি বিনামূল্যে ব্যবহার করতে করবেন। পরে সারাদেশে এটি ছড়িয়ে দেওয়া হবে।
অ্যাপটির বিষয়ে জানতে চাইলে নগর পুলিশ কমিশনার মো. মাহাবুবর রহমান বলেন, ‘এই অ্যাপটি দিয়ে বিদেশ ফেরত ব্যক্তি এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নির্দেশনায় যেসব নাগরিক হোম কোয়ারেন্টিনে যাবেন তাঁদের গতিবিধি পর্যবেক্ষণ করা হবে। যদি তাঁরা হোম কোয়ারেন্টিন শর্ত ভঙ্গ করেন তবে সংক্রামণ আইন ২০১৮ অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
এই অ্যাপ তৈরি করেছে ইনোভেস টেকনোলজিস। প্রতিষ্ঠানটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক মিনহাজ খান জানান, ‘জিও ফেন্সিং টেকনোলজির মাধ্যমে হোম কোয়ারেন্টিনে থাকা ব্যক্তিদের অবস্থান নিশ্চিত করবে অ্যাপটি। এটি ব্যবহারের মাধ্যমে হোম কোয়ারেন্টিনে থাকা কোন ব্যক্তি নির্দিষ্ট স্থানের বাইরে যাওয়ার চেষ্টা করলে উক্ত ব্যক্তিকে নোটিফিকেশনের মাধ্যমে সতর্ক করবে এবং ওয়েবভিত্তিক এ্যাডমিন প্যানেলের মাধ্যমে থানার মনিটরিং ইউনিটকেও তাৎক্ষনিক তথ্য প্রদান করবে। তবে অ্যাপটি যে কেউ ইন্সটল করলে কাজ করবে না। মূলত গৃহবন্দি থাকা নিদিষ্ট ব্যক্তিটির ফোন নাম্বার দিয়ে তাঁকে নিজেদের ওয়েবভিত্তিক এ্যাডমিন প্যানেলে নিবন্ধন করে নিবে চট্টগ্রাম পুলিশ। এরপর অ্যাপটির ম্যাধমে তাঁদের গতিবিধি পর্যবেক্ষণ করা হবে।’
এই অ্যাপের সুবিধা হচ্ছে হোম কোয়ারেন্টিন মনিটরিং কার্যক্রম তাৎক্ষনিক, কার্যকর এবং সময় সাশ্রয়ীভাবে সম্পন্ন করতে পারবে পুলিশ। এই অ্যাপ ব্যবহারের ফলে পুলিশ সদস্যদের সংস্পর্শজনিত কারণে করোনাভাইরাস আক্রান্ত হওয়ার স্বাস্থ্য ঝুঁকিও অনেকাংশে কমে আসবে। এই অ্যাপের মাধ্যমে এখন নগরীর ৪১ জনকে মনিটরিং করা হচ্ছে। জনস্বার্থে বিনামূল্যে এই সেবাটি প্রদান করছে ইনোভেস টেকনোলজিস।
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।



