
শুক্রবার জুমার নামাজের পর পিটিআই চেয়ারম্যান ব্যারিস্টার গহর আলি খানের সঙ্গে অবস্থান ধর্মঘটে যোগ দেন বিরোধীদলীয় নেতা আল্লামা রাজা নাসির আব্বাস ও মাহমুদ খান আছাকজাই। অন্যদিকে খাইবার-পাখতুনখোয়ার মুখ্যমন্ত্রী সোহেল আফ্রিদি ও অন্যান্য পিটিআই নেতা খাইবারপাখতুনখোয়া হাউসে তাদের পৃথক বিক্ষোভ অব্যাহত রাখেন। উভয় স্থানেই পুলিশ বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে। ইমরানের চোখের চিকিৎসার জন্য জরুরি ভিত্তিতে শিফা আন্তর্জাতিক হাসপাতালে স্থানান্তর না করা পর্যন্ত তারা ধর্মঘট অব্যাহত থাকার ঘোষণা দেন।
এরপর শনিবার পাকিস্তানের তথ্যমন্ত্রী আতাউল্লাহ তাতার সামাজিক মাধ্যম এক্সে দেওয়া পোস্টে ইমরান খানকে হাসপাতালে নেওয়া হবে বলে জানান। তিনি লেখেন, ‘ইমরান খানের চোখের চলমান চিকিৎসার জন্য বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকেরা একটি বিশেষ হাসপাতালে তার আরও পরীক্ষা-নিরীক্ষা করবেন। এ নিয়ে একটি বিস্তারিত প্রতিবেদন সুপ্রিম কোর্টেও জমা দেওয়া হবে। তাই এ বিষয়ে কোনো গুজব ছড়াবেন না বা নিজের স্বার্থে এ নিয়ে রাজনীতি করবেন না।’
দেশটির সংসদবিষয়ক মন্ত্রী তারিক ফজল চৌধুরী জানিয়েছেন, ইমরান খানের শারীরিক অবস্থা বিবেচনা করে তাকে কারাগার থেকে একটি হাসপাতালে স্থানান্তর করা হবে। তিনি বলেছন, একজন কারাবন্দি যেসব মানবাধিকার পান তার সবই ইমরানকে দেওয়া হবে।
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।



