
সেখানে দেশটির শতাব্দী প্রাচীন দল কংগ্রেস প্রার্থী দিতে পেরেছে মাত্র ৩০৩ আসনে, যা কংগ্রেসের ইতিহাসে সবচেয়ে কম। তাৎপর্যপূর্ণভাবে গত লোকসভায় (২০১৯) বিজেপি ৩০৩ আসনে জয় পেয়ে দ্বিতীয়বার মোদি সরকার গঠন করেছে।
এ নিয়ে কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক জয়রাম রমেশ গতকাল বুধবার বলেছেন, এটা কংগ্রেসের দুর্বলতা নয়। বিজেপিকে ক্ষমতাচ্যুত করতে এটা শতাব্দী প্রাচীন দলটির কৌশল ও দায়িত্বশীলতা। আমরা বিজেপিকে শক্ত চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলতে ইন্ডিয়া জোটের শরিকদের সঙ্গে যথাসম্ভব বোঝাপড়া করে লড়াই করছি।
যদিও রাজনৈতিক মহল মনে করছে, দলবদল করে কংগ্রেস নেতাদের আম আদমি পার্টি, তৃণমূলের মতো আঞ্চলিক দল ও বিজেপিতে যোগদান। যার জেরে দুর্বল সংগঠনের কারণে দেশের সবচেয়ে পুরোনো দলটির এ পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে।
জয়রাম বলেন, মহারাষ্ট্র, পশ্চিমবঙ্গ, বিহার, অন্ধ্রপ্রদেশের মতো রাজ্যে কংগ্রেস শরিকদের বেশিরভাগ আসন ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।
তবে বহু মাস আগেই পশ্চিমবঙ্গের শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেস প্রধান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়ে দিয়েছেন তারা কারও সঙ্গে আসন সমঝোতা করবে না। যে কারণে পশ্চিমবঙ্গেও কংগ্রেস রাজ্যের ৪২ আসনে তৃণমূলের বিরোধিতা করে প্রার্থী দিয়েছে।
বাংলায় কংগ্রেস-তৃণমূল জোট না হলেও জয়রামের বক্তব্য, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বিজেপিবিরোধী ‘ইন্ডিয়া’ জোটে আছে বলে দাবি করেছেন।
খোঁচা দেওয়া অতীত, এবার ভারতের কাছে আজব আবদার করে বসল মালদ্বীপ
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।



