
বগুড়ার ডেপুটি সিভিল সার্জন মোস্তাফিজুর রহমান তুহিন বলেন, সোমবার বগুড়ার শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজের পিসিআর ল্যাবে দুই ধাপে ১৮৮ জনের নমুনা পরীক্ষা করা হয়। যার মধ্যে বগুড়ার দুইজন এবং জয়পুরহাটের ১৫ জনের শরীরে করোনা ভাইরাসের অস্তিত্ব পাওয়া গেছে।
বগুড়ার দুজনের মধ্যে ওই তরুণ শহরের রহমাননগর কাজিখানা লেনের একটি মেসে থাকতেন। ৯ মে তিনি ঢাকা থেকে মেসে ফেরেন। কিন্তু নমুনা পরীক্ষা ছাড়া তাকে ঢুকতে দেয়া হয়নি। পরে অন্য একটি মেসে ওঠেন। এছাড়া একই দিন নমুনা দেন। ১১ মে তার করোনা পজিটিভ ধরা পড়ে। এরপর থেকেই তিনি আত্মগোপন করেন।
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।



