আন্তর্জাতিক ডেস্ক : যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প একের পর এক বিতর্কিত কাজের মাধ্যমে সমালোচিত। এবার টুইটারে এমন একটি ছবি তিনি শেয়ার করেছেন, যা একজন আমেরিকান সৈনিকের জন্য অপমানজনক।
২০১৭ সালের জুলাই মাসে সর্বোচ্চ সম্মান ‘মেডেল অব অনার’ দেওয়া হয় ম্যাকক্লোয়ানকে। হোয়াইট হাউসে আনুষ্ঠানিকভাবে সাবেক সেনা কর্মকর্তা জেমস ম্যাকক্লোয়ানের গলায় সম্মানসূচক মেডেল পরিয়ে দিয়েছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
বুধবার (৩০ অক্টোবর) সেদিনের ছবি (!) টুইটারে শেয়ার করেছেন তিনি। তবে, এবারের ছবিতে ট্রাম্প থাকলেও নেই সেনা কর্মকর্তার মুখ। ম্যাকক্লোয়ানের ছবি কেটে ফেলে দিয়ে সংযুক্ত করা হয়েছে আইএস প্রধান আবু বকর আল বাগদাদি হত্যার অভিযানে অংশ নেওয়া কুকুরটির। মার্কিন প্রেসিডেন্ট টুইট করে কুকুরটি সম্পর্কে লিখেছেন, ‘আমেরিকান হিরো!
এই ছবিটি পোস্ট করার পর থেকেই শুরু হয়েছে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা। একজন বীর সেনা কর্মকর্তার মুখাবয়বের জায়গায় কুকুরের ছবি বসিয়ে তাকে অপমান করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন অনেকেই।
১৯৬৯ সালে ভিয়েতনাম যুদ্ধ চলাকালীন ম্যাকক্লোয়ান নুই ইয়োন নামক পাহাড়ি এলাকা থেকে ১০ জনকে জীবিত উদ্ধার করেন। সেই দুঃসাহসিক কাজের জন্যই ট্রাম্প সরকার তাকে এই সম্মান দেয়। সেই ‘মেডেল অব অনারের’ ছবিটিকেই কারসাজি করে অন্য ছবিতে বদলে দেওয়া হয়েছে।
দ্য নিউইয়র্ক টাইমস বলছে, এই বিষয়ে মতামত দিয়েছেন ৭৩ বছরের ম্যাকক্লোয়ান। তিনি অবশ্য এই বিষয়টি হেসে উড়িয়ে দিয়েছেন।
ম্যাকক্লোয়ান জানান যে, একজন প্রতিবেদক এই ছবিটি তার কাছে পাঠানোর আগে তিনি তা দেখেননি। মিস্টার ট্রাম্প কুকুরের বীরত্বকে স্বীকৃতি দিয়েছেন। তিনি যখন দুটি চিত্রের তুলনা করেন তখন অবশ্য অসন্তষ্ট হননি। তিনি তা দেখে হেসেছিলেন।
ম্যাকক্লোয়ান বলেন, এই কুকুরগুলো খুব সাহসী হয়। সাহসী লোকদের সঙ্গে তারা কাজ করে।
তিনি আরও জানান, ভিয়েতনামে তিনি একটি কুকুরের সাথে কাজ করেছিলেন। যে মিশনের সময় শত্রুদের কাযকলাপ সনাক্ত করতে সহায়তা করেছিলো। তারা খুব সাহসী।
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।


