
আটক মাদরাসা সুপার জেলা সদর উপজেলার তেলীপাড়া গ্রামের নোহর ইসলামের ছেলে। ওই নারী উপজেলার চর খাটামারী গ্রামের বাসিন্দা।
ওই মাদরাসার পরিচালনা পর্ষদের সহ-সভাপতি আব্দুর রহিম বলেন, রাতে অফিস কক্ষের দরজা বন্ধ করে মাদরাসা সুপার জিল্লুর রহমান অপরিচিত এক নারীর সঙ্গে আনন্দ গল্পে মেতে ওঠেন। এ সময় মাদরাসার আবাসিক ছাত্ররা স্থানীয় লোকজনকে বিষয়টি জানালে তারা সেখানে যায়। মাদরাসা সুপার বিষয়টি বুঝতে পেরে ওই নারীকে কক্ষের আলমারির ভেতর লুকিয়ে রাখেন এবং এলাকাবাসীর মুখোমুখি হয়ে নিজেকে নিরপরাধ দাবি করেন।
স্থানীয় লোকজন প্রথমে বোকা বনে গেলেও পরবর্তীতে মেয়েটিকে আলমারিতে লুকিয়ে রাখার বিষয়টি টের পেয়ে তাকে সেখান থেকে বের করে। আব্দুর রহিম আরো বলেন, আমরা প্রথমে ওই মাদ্রাসা সুপার ও নারীসহ ইউপি চেয়ারম্যানের কাছে যাই। তার পরামর্শ অনুযায়ী দুজনকে পুলিশে দেই।
মাদরাসা পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি মহসীন আলী বলেন, যেহেতু মাদরাসা সুপারসহ নারীকে পুলিশে সোপর্দ করা হয়েছে, এখন পুলিশই আইনানুগ ব্যবস্থা নেবেন। এমন ব্যক্তিকে মাদরাসার সুপার হিসেবে নিয়োগ দেয়াটা তাদের চরম ভুল সিদ্ধান্ত ছিল উল্লেখ করে ভবিষ্যতে মাদরাসার জন্য শিক্ষক নিয়োগে সতর্ক থাকবেন বলেও জানান তিনি।
লালমনিরহাট সদর থানার ওসি মাহফুজ আলম বলেন, এ ঘটনায় আটককৃতদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। বিষয়টি প্রেমঘটিত বলে জানা গেছে।
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।



