
সিজানের মা শিরিন জানান, ছেলের বয়স যখন ২ মাস তখন শরীরের এ কালো দাগ দেখে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ইমার্জেন্সি বিভাগে নেওয়া হয়। তখন থেকে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শে আজ অবধি একটি মলম ব্যবহার করে যাচ্ছেন। কিন্তু ক্রমেই কালো দাগটি বাড়ছে।
এদিকে পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি সিজানের পিতার পক্ষে উন্নত চিকিৎসার ব্যয়ভার বহন করাও সম্ভব হচ্ছে না। শিশুটির পরিবার দেশবাসীর কাছে সাহায্যের আবেদন জানিয়েছেন।
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।



