
সাংবাদিকদের সংগঠন আইসিআইজে বলছে, হলোকাস্টের পর এটাই সবচেয়ে বড় বন্দিশিবির৷ গত ২৪ নভেম্বর ইন্টারন্যাশনাল কনসোর্টিয়াম অফ ইনভেস্টিগেটিভ জার্নালিস্ট (আইসিআইজে) উইঘুর অধ্যুষিত জিনজিয়াং প্রদেশে চীন সরকারের গণগ্রেপ্তার নিয়ে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করে৷
এতে বলা হয়, উইঘুরদের নিশ্চিহ্ন করতে চীন সরকারের এই ‘নীল নকশা’ দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর সংখ্যালঘুদের নির্যাতনের সবচেয়ে বড় ঘটনা৷ বন্দিশিবিরে রীতিমত মগজ ধোলাই করা হচ্ছে এবং বন্দিদের কঠোর অনুশাসন মেনে চলতে বাধ্য করা হচ্ছে৷
আইসিআইজের হাতে পড়া সরকারি নথিগুলোর বেশিরভাগই ২০১৭ সালের৷ যেগুলোকে পুরো মিথ্যা বলে উড়িয়ে দিয়েছে চীন৷ চীন সরকারের রাজনৈতিক বিশ্লেষক ভিক্টোর গাও দাবি করেন, ‘এটা বন্দিশিবির নয়৷ তাদের আটকে রাখা হয়েছে ঠিকই, তবে এটাকে আপনি বরং শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ কেন্দ্র বলতে পারেন৷ সরকার চরমপন্থা ও বিচ্ছিন্নতাবাদকে এভাবে দমন করতে চাইছে৷
চীন সরকারের দাবি, শিবিরগুলোতে উগ্রবাদ প্রতিরোধে সেবামূলক শিক্ষা দেওয়া হয়৷ সেখানে বন্দিদের ব্যক্তিগত স্বাধীনতা এবং তাদের ধর্মের প্রতি ‘পূর্ণ সম্মান’ দেখানো হয়৷
তবে মানবাধিকার সংগঠনগুলো এ কথা বলছে না৷ জার্মানি, ফ্রান্স ও যুক্তরাষ্ট্রসহ বিশ্বের ২৩টি দেশ থেকেও উইঘুরদের গণহারে বন্দিশিবিরে ধরে নিয়ে যাওয়া নিয়ে চীন সরকারের তীব্র সমালোচনা করা হয়েছে৷ চীনের গোপন জেলখানা বন্ধ করার দাবি মানবাধিকারবাদীদের। এ বিষয়ে যে দেশগুলো চীনকে সমর্থন দিয়েছে তার মধ্যে রাশিয়া, পাকিস্তান ও সার্বিয়ারও নাম আছে বলে জানা যায়।
তথ্যসূত্র : ডয়েচে বেল
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।



