
তিনি বলেন, ‘আগামী ১৫ নভেম্বর ঢাকা উত্তর ও ১৮ নভেম্বর ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন নির্বাচন উপযোগী হবে। এরপর যেকোনও সময় নির্বাচনের তফসিল হবে। নির্বাচন কমিশন সিদ্ধান্ত নিয়েছে, জানুয়ারি মাসের একই দিনে দুই সিটির ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।’
আলমগীর হোসেন বলেন, ‘ডিসেম্বরে জেএসসি, পিইসি ও বিদ্যালয়গুলোর বার্ষিক পরীক্ষা এবং ফেব্রুয়ারি ও পরে এসএসসি-এইচএসসি পরীক্ষা রয়েছে। এ বিষয় বিবেচনা করে জানুয়ারিতে ভোটগ্রহণের সিদ্ধান্ত হয়েছে।’
এ সময় জানুয়ারির মাঝামাঝিতে ভোটগ্রহণের ইঙ্গিত দেন তিনি।
নির্বাচন কমিশনের সিনিয়র সচিব বলেন, ‘দুই সিটির নির্বাচন পুরোটাই ইভিএমে অনুষ্ঠিত হবে এবং বিদ্যমান ভোটার তালিকার ভিত্তিতে ভোট হবে। এক্ষেত্রে আগামী জানুয়ারিতে নতুন যে খসড়া ও চূড়ান্ত তালিকা হবে, সেখানে অন্তর্ভুক্তরা এই নির্বাচনে ভোট দিতে পারবে না।’
এ বিষয়ে আইনি কোনও সমস্যা হবে না দাবি করে ইসি সচিব বলেন, ‘জানুয়ারিতে যেহেতু খসড়া তালিকা হবে এবং চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশের আগেই ভোট হবে, তাই আইনি কোনও সমস্যা সৃষ্টি হবে বলে আমরা মনে করি না।’
আলমগীর হোসেন জানান, চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন নির্বাচন উপযোগী হবে ফেব্রুয়ারি মাসে। এ কারণে ওই সিটির নির্বাচনের বিষয়ে কমিশন এখনও কোনও সিদ্ধান্ত নেয়নি।
একইসঙ্গে ঢাকার দুই সিটির নির্বাচন ইভিএমে নেওয়াকে চ্যালেঞ্জ মনে করছেন কিনা জানতে চাইলে ইসি সচিব বলেন, ‘এটা অবশ্যই চ্যালেঞ্জ। তবে আমাদের যে অভিজ্ঞতা হয়েছে এবং সক্ষমতা আছে, তাতে ভালোভাবেই ইভিএমে ভোটগ্রহণ করতে পারবো।’
ইভিএমের বিষয়ে কোনও আপত্তি এলে কমিশন সিদ্ধান্ত নেবে বলেও অপর এক প্রশ্নের জবাবে জানান তিনি।
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।



