
জানা যায়, বগুড়া জেলার শেরপুর উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের শিখর গ্রামের আব্দুস সালামের ছেলে মো: সবুজ মিয়ার সাথে সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলার কালিয়াকান্দা গ্রামের বিক্রম শেখের কলেজ পড়ুয়া মেয়ের সাথে মোবাইল ফোনে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। প্রেমিকাকে এক নজর দেখার জন্য গত ৯ সেপ্টেম্বর প্রেমিক সবুজ সিরাজগঞ্জ গিয়ে তারা দু’জনে সাক্ষাৎ করে এবং সারাদিন বিভিন্ন এলাকায় ঘোরাফেরা করে সবুজ বাড়িতে চলে আসে। বাড়িতে আসার পর প্রেমিকা বিজলীকে পছন্দ না হওয়ায় প্রেমিক সবুজ তার সাথে যোগাযোগ বন্ধ করে দেয়।
এরই একপর্যায়ে গত ১৪ সেপ্টেম্বর শনিবার বিকেলে প্রেমিকা বিজলী খাতুন ঠিকানা সংগ্রহ করে শেরপুর উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের শিখর গ্রামের প্রেমিক সবুজ মিয়ার বাড়িতে আসে। প্রেমিকা আসার পর সবুজ বাড়ি থেকে পালিয়ে যায়। এ ঘটনা নিয়ে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃস্টি হয়।
এদিকে অভিযোগ ও সংবাদ প্রকাশের পর শেরপুর থানা পুলিশ প্রেমিক সবুজকে আটক করে থানায় নিয়ে আসে। পরে শনিবার রাতে প্রেমিক ও প্রেমিকার পরিবারের লোকজন সমঝোতার জন্য সবুজের বাড়িতে বসে এবং তাদের বিয়ে দেয়া হয়।
এর আগে অনশনের সময় প্রেমিকা বিজলী খাতুন বলেন, প্রেমিক সবুজ তাকে বিয়ে না করলে দা দিয়ে নিজের গলা কেটে আত্মহ;ত্যা করবো।
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।



