Advertisement
আন্তর্জাতিক ডেস্ক : পশ্চিম আফ্রিকার দেশ নাইজেরিয়ায় ফের স্কুলে হানা দিয়ে শতাধিক শিক্ষার্থী-কর্মকর্তাকে অপহরণ করেছে বন্দুকধারীরা। এসময় এক শিক্ষার্থীকে গুলি করে হত্যা করে তারা।

বুধবার ভোরে দেশটির মধ্যাঞ্চলীয় নাইজার প্রদেশের কাগারা শহরের একটি সরকারি স্কুলে এ ঘটনা ঘটে বলে কর্তৃপক্ষের বরাত দিয়ে জানিয়েছে মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএন।

প্রতিবেদনে বলা হয়, বন্দুকধারীরা স্কুলটির আবাসিক হোস্টেল থেকে শতাধিক শিক্ষার্থী ও বেশ কয়েকজন কর্মকর্তাকে অপহরণ করে। তবে ঠিক কতজনকে অপহরণ করা হয়েছে সেই সংখ্যা এখনও নিশ্চিত নয়।

এ বিষয়ে জানতে সিএনএন নাইজার পুলিশের মুখপাত্রের সঙ্গে যোগাযোগ করলেও তিনি কোনো কথা বলতে রাজি হননি।

তবে কাগারার এক বাসিন্দা জানিয়েছেন, বন্দুকধারী সন্ত্রাসীদের গুলিতে এক শিক্ষার্থী নিহত হয়েছেন।

আবুবকর মোহাম্মদ নামে ওই ব্যক্তি বলেন, ভোরের দিকে স্কুলের স্টাফ কোয়ার্টারে তাণ্ডব চালায় বন্দুকধারীরা। তারা কর্মকর্তাদের সন্তানদের বাধ্য করে হোস্টেলে নিয়ে যেতে। সেখান থেকে শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি বেশ কয়েকজন কর্মকর্তাকেও অপহরণ করে।

আবুবকর বলেন, তারা হোস্টেলের এক শিক্ষার্থীকে হত্যা করেছে। তার মরদেহ কাগারা পুলিশ স্টেশনে রয়েছে। পুলিশ এখন স্কুলের সবখানে।

তিনি আরও জানান, সন্ত্রাসী হামলার বিষয়ে স্থানীয়দের আগেই সতর্ক করা হয়েছিল।

আবুবকর মোহাম্মদ বলেন, গতকাল রাতে আমরা খবর পাই, দস্যুরা কাগারার দিকে আসছে। কিন্তু, জানতাম না কোথায় হামলা হবে। পরে রাত ১০টার দিকে শুনি তারা কাগারা উপকণ্ঠে চলে এসেছে। এতে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।

মাত্র দুই মাস আগে অনেকটা একইভাবে দেশটির কাতসিনা রাজ্যের কানকারা এলাকার একটি সরকারি স্কুলে হামলা চালিয়ে তিন শতাধিক শিক্ষার্থীকে অপহরণ করে সন্ত্রাসীরা। এ নিয়ে প্রায় সপ্তাহখানেক তোলপাড় ছিল গোটা দেশে। পরে অবশ্য অপহৃত শিক্ষার্থীদের মুক্তি দেয়া হয়েছে।

Zoom Bangla News
Zoom Bangla News
inews.zoombangla.com
Follow

Follow Zoom Bangla News On Google

Open the Google follow page and tap the checkmark option to receive more updates from Zoom Bangla News in your Google news feed.

Follow Zoom Bangla News On Google

Saiful Islam is a journalist at Zoom Bangla News with seven years of experience in news writing and editorial work. He contributes to producing accurate, well-structured, and reader-focused content across digital platforms. His work reflects a strong commitment to editorial standards and responsible journalism.