
মঙ্গলবার (১২ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ৯টায় বাল্যবিয়ে প্রতিরোধে জনপ্রতিনিধি, ইমাম ও কাজিদের নিয়ে এক মতবিনিময়সভায় এভাবেই সতর্ক করেণ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) খাতুনে জান্নাত।
তিনি বলেন, যে যার অবস্থানে থেকে বাল্যবিয়েকে প্রতিরোধ করতে হবে। তা না হলে সামাজিক, পারিবারিক অপরাধ দিন দিন বৃদ্ধি পাবে।
এ সময় ইউএনও খাতুনে জান্নাত পূজার ছুটির পর সব স্কুল-মাদরাসায় অভিভাবক সমাবেশ করার জন্য মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তাকে নির্দেশনা দেন। এ ছাড়া প্রতিটি ওয়ার্ডে বাল্যবিয়ে নিরোধ কমিটি গঠন করার জন্য ইউপি চেয়ারম্যানদের আহ্বান জানান।
শরণখোলা উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মো. রায়হান উদ্দিন শান্ত বলেন, বাল্যবিয়ের পেছনে দরিদ্রতা একটি বড় কারণ। দরিদ্র পরিবারের অসচেতন মা-বাবা মেয়েকে বোঝা মনে করেন। তাই অল্প বয়সেই বিয়ে দিয়ে দায়মুক্ত হতে চান। কিন্তু তার মেয়েকে যেখানে বিয়ে দিচ্ছেন, সেই পরিবারও দরিদ্র শ্রেণির। ফলে দরিদ্রতা তাদের পিছু ছাড়ে না। তাই কিছুদিন যেতে না যেতেই বিচ্ছেদ ঘটে। অভাবের সংসারে দেখা দেয় পারিবারিক কলহ। আমাদের এ ব্যাপারে সচেতন হতে হবে।
সভায় উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আসাদুজ্জামান মিলন, ধানসাগর ইউপির চেয়ারম্যান মইনুল হোসেন টিপু, খোন্তাকাটা ইউপির চেয়ারম্যান জাকির হোসেন খান মহিউদ্দিন, প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মহিদুল ইসলাম, মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. নূরুজ্জামান খান, মহিলাবিষয়ক কর্মকর্তা মো. আব্দুল হাইসহ ও চার ইউনিয়নে কর্মরত কাজি ও ইমামরা উপস্থিত ছিলেন।
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।



