Advertisement
জুমবাংলা ডেস্ক : খেলার জন্য ছোট ভাইয়ের জন্য দোলনা বানাতে গিয়ে গলায় প্লাস্টিকের রশি আটকে ৭ বছরের শিশু বোন আমেনার মৃত্যু হয়েছে। পুলিশ শিশুর মরদেহ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য বরগুনা মর্গে প্রেরণ করেছে। হৃদয়স্পর্শী এমন ঘটনাটি বৃহস্পতিবার বরগুনার আমতলী উপজেলার চাওড়া লোদা গ্রামে ঘটেছে। এ ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার চাওড়া লোদা গ্রামের হেলাল মাতুব্বরের শিশু কন্যা আমেনা তার তিন বছরের ছোট ভাই রবিউলের জন্য প্লাস্টিকের রশি দিয়ে রান্না ঘরের আড়ার সাথে দোলনা বানাচ্ছিল। এ সময় রশি আমেনার গলায় আটকে যায়। তখন ঘরে কেউ ছিল না। বাবা হেলাল মাতুব্বর রিকসা চালাতেন এবং মা কাজল রেখা প্রতিবেশীর বাড়িতে কাজ করতে যান। ছোট ভাই শিশু রবিউল বোনকে রশিতে ঝুঁলতে দেখে কান্নাকাটি করছিল।

শিশু রবিউলের কান্নার শব্দে প্রতিবেশীরা এসে দেখে আমেনার মরদেহ রশিতে ঝুলছে। তারা পুলিশে খবর দেয়। পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে শিশুর মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য আমতলী থানায় নিয়ে আসে। এ ঘটনায় থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা দায়ের করা হয়েছে। লাশ ময়না তদন্তের জন্য মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে।

নিহত আমেনার মা কাজল রেখা বলেন, ও মোর সোনার ময়নাডা এইরহম চইল্ল্যা গেলা মোরে কিছু না কইয়া। কেন মুই মানষের বাড়তে কাম হরতে গেলাম।

নিহত শিশুর চাচা শহীদুল গাজী বলেন, ভাইয়ের জন্য দোলনা বানাতে গিয়ে রশিতে আটকে আমেনা মারা গেছে।

আমতলী থানার পরির্দশক (ওসি) মো. শাহআলম হাওলাদার বলেন, ছোট ভাইয়ের জন্য দোলনা বানাতে গিয়ে গলায় রশি আটকে মারা বড় বোন আমেনা মারা গেছে। শিশুর মরদেহ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য বরগুনা মর্গে পাঠানো হয়েছে এবং থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা দায়ের করা হয়েছে।

Zoom Bangla News
Zoom Bangla News
inews.zoombangla.com
Follow

Follow Zoom Bangla News On Google

Open the Google follow page and tap the checkmark option to receive more updates from Zoom Bangla News in your Google news feed.

Follow Zoom Bangla News On Google

Saiful Islam is a journalist at Zoom Bangla News with seven years of experience in news writing and editorial work. He contributes to producing accurate, well-structured, and reader-focused content across digital platforms. His work reflects a strong commitment to editorial standards and responsible journalism.