নাসা জানিয়েছে এবার যে গ্রহাণুটি পৃথিবীর দিকে ধেয়ে আসছে সেটি নিজের আকার ক্রমেই বৃদ্ধি করেছে। ফলে যখন এটি পৃথিবীর বেশ অনেকটা কাছে চলে আসবে তখন এটির আকার বেশ বড় হতে পারে। এখনও পর্যন্ত পৃথিবীকে ধাক্কা দেওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে ১ শতাংশ। তবে এই শতাংশের হারটি ২ থেকে ৩ শতাংশ হয়ে যেতে পারে। যদি সেটাই হয় তাহলে একে আটকানো বেশ কঠিন হয়ে যাবে।
নাসার পক্ষ থেকে বলা হয়েছে বর্তমানে এটির আকার ২০০ মিটার রয়েছে। তবে যদি এটি আরও বড় হিসাবে সামনে আসে তাহলে এর শক্তি আরও বাড়বে। যদি পৃথিবীর সঙ্গে এর ধাক্কা লাগে তাহলে এটি পৃথিবীর অনেকটাই ক্ষতি করবে। নাসা আরও জানিয়েছে যদি পৃথিবীর সঙ্গে এটি ধাক্কা মারে তাহলে এটি ৫০০ টি অ্যাটম বোমার মতো শক্তিশালী হবে। ভারত, পাকিস্তান এবং বাংলাদেশের মতো দেশগুলি সবথেকে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হবে।
নাসা মনে করছে প্রশান্ত মহাসাগর, দক্ষিণ সাগর, আরব সাগরের কাছে এই গ্রহাণুটি আছড়ে পড়তে পারে। যদি সেটাই হয়ে থাকে তাহলে ভারত, পাকিস্তান, বাংলাদেশ, সুদান, নাইজেরিয়া, ভেনেজুয়েলা, কলম্বিয়া, ইকুয়েডরের মতো দেশে মারাত্বক ক্ষতি হবে। ২০২৪ সালের ডিসেম্বর মাসে এই গ্রহাণুকে দেখা গিয়েছে। এটি কবে পৃথিবীতে এসে আঘাত করবে সেটা এখনই স্পষ্ট করে বলা যাচ্ছে না। তবে গতি যথেষ্ট প্রবল। ফলে পৃথিবীর কাছে আসতে এর বেশি সময় লাগবে না বলেই মনে করা হচ্ছে।
তবে এই ধরণের গ্রহাণু এর আগেও এসেছে। তারা মাঝপথে নিজের দিক পরিবর্তন করেছে। আবার অনেকে পৃথিবী থেকে একটি নির্দিষ্ট দূরত্ব বজায় রেখে চলে গিয়েছে। এবার কী হবে সেটাই দেখার।
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।