
এর আগে গতকাল সোমবার দুপুরের দিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যানমা নূরজাহান বেগম।
ইনস্টিটিউটের চিকিৎসক পার্থ শংকর পাল বলেন, কীরণের শরীরের ৭০ শতাংশ আগুনে দগ্ধ হয়েছিল।
এছাড়াও এ অগ্নিকাণ্ডে আরো ৬ জন দগ্ধ রয়েছেন। তারা হলেন- কিরণের দুই ছেলে আবুল হোসেন ইমন (২২) ও আপন মিয়া (১০), ছোট ভাই হিরণ মিয়া (২৮), হিরণের স্ত্রী মুক্তা (২১), তাদের মেয়ে ইলমা (৩) এবং কিরণের ভাগনে কাউছার (১৬)। এদের মধ্যে আবুল হোসেন ইমনের অবস্থা এখনো আশঙ্কাজনক। তার শরীরের ৪৫ শতাংশই পুড়ে গেছে বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকরা।
এর আগে সোমবার ভোর সাড়ে ৫টার দিকে এ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। ফতুল্লা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আসলাম হোসেন বলেন, ‘সম্ভবত ওই ফ্ল্যাটের চুলার চাবি রাত থেকেই খোলা ছিল। তাতেই সারারাতে পুরো ঘরে গ্যাস ছড়িয়ে পড়ে। সকালে রান্না করার জন্য চুলা জ্বালতে গেলে বিকট শব্দে বিস্ফোরণ ঘটে।’
নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার সাহেবপাড়া এলাকার ওই তিনতলা বাড়ির নিচতলায় পরিবার নিয়ে ভাড়া থাকতেন গার্মেন্ট এক্সেসরিজের ব্যবসায়ী কিরণ।
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।



