
কিশোরীর পরিবার ও মামলার বিবরনী হতে জানা যায়, উপজেলার কলিয়া গ্রামের বাসিন্দা ওই কিশোরী ২০১৮ সালের ১২ ডিসেম্বের রাতে ওই এলাকার একটি ওয়াজ মাহফিল থেকে ফিরছিলেন। এসময় অভিযুক্ত ইসমাইল হোসেন তাকে বাড়িতে পৌঁছে দেয়ার কথা বলে রাত ৯.৩০মিনিটে কলিয়া পূর্ব পাড়া জামে মসজিদের দক্ষিনপার্শ্বের চকের মধ্যে রহিম মিয়ার মেশিন ঘরে নিয়ে জোরপূর্বক একাধিকবার ধ’র্ষণ করে এবং রাত পৌনে তিনটায় তাকে ছেড়ে দেয়। বিষয়টি কাউকে জানালে তাকে হ’ত্যা করারও হুমকি দেওয়া হয়।
পরবর্তীতে কিশোরী ভয়ে পরিবারের কাউকে কিছু জানায়নি। প্রায় তিন মাস পর কিশোরীর শারীরিক গঠনের পরিবর্তন ঘটলে বিষয়টি পরিবারের নজরে আসে। পরে কিশোরী পরিবারের কাছে ঘটনার বিস্তারিত জানায়।
ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য হাসপাতালে নিয়ে গেলে অন্তঃস্বত্বা হওয়ার বিষয়টি জানতে পারে তার পরিবারের লোকজন। ওই সময় ঘটনাটি এলাকায় জানাজানি হলে বিষয়টি ধামাচাপা দেয়ার জন্য একটি মহল পায়তারা চালায়। প্রভাবশালীদের ভয়ে ওই সময় মামলা করতেও সাহস পায়নি অসহায় পরিবারটি।
এমতাবস্থায় গত ১০ অক্টোবর ওই কিশোরী কন্যা সন্তানের জন্ম দেয়। এঘটনায় গত ১৪ অক্টোবর ওই কিশোরীর পরিবার বাসাইল থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে মামলার দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা এস.আই তাজ উদ্দিন জানান, ধ’র্ষনের ঘটনায় ইসমাইলকে আসামী করে নারী ও শিশু নির্যাতন আইনে একটি মামলা দায়ে করা হয়েছে। মামলার পরে আসামি পলাতক রয়েছে। ধর্ষক ইসমাইলকে ধরার ব্যাপারে পুলিশের সর্বাত্মক চেষ্টা চলছে। মোবাইলে ইসমাইলের সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তাকে পাওয়া যায়নি।
শারীরিক প্রতিবন্ধী কিশোরী বলেন, ‘এখন আমি শিশুটি নিয়ে সমস্যায় আছি। তাকে ভরন-পোষণ করার মতো আমার সামর্থ্য নেই। আমি ওই ইসমাইলের বিচার চাই।’
বিষয়টি কে কেন্দ্র করে স্থানীয় জনসাধারনের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। যত দ্রুত সম্ভব ইসমাইলকে গ্রেফতারের দাবী এলাকাবাসীর।
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।



