কুমিল্লার নাঙ্গলকোট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে মৃত ঘোষণার প্রায় তিন ঘণ্টা পর নড়েচড়ে উঠেছেন খোকন নামের এক যুবক। মঙ্গলবার বিকালে এ ঘটনা ঘটে।

শাহাদাত হোসেন খোকন (৪০) উপজেলার হেসাখাল ইউনিয়নের পাটোয়ার গ্রামের মৃত জিতু মিয়ার ছেলে ও গ্রামপুলিশ কালুর ভাই।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার সকাল ১০টার দিকে খোকন অসুস্থতা অনুভব করলে তাকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে তাকে বাড়িতে পাঠিয়ে দেন। পরে দুপুরে আবারও অসুস্থতা অনুভব করলে তাকে পুনরায় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। এ সময় কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
স্বজনরা খোকনকে বাড়িতে নিয়ে গিয়ে কবর খোঁড়ার কাজ শুরু করেন এবং জানাজার জন্য মাইকিংও শুরু করা হয়। এরই মধ্যে বিকাল সাড়ে ৫টার দিকে খোকন নড়েচড়ে ওঠেন। পরে স্বজনরা তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য কুমিল্লায় নিয়ে যান। সেখানেও চিকিৎসকরা খোকনকে মৃত ঘোষণা করেন।
আরও পড়ুনঃ
এ বিষয়ে নাঙ্গলকোট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার ডা. আশরাফিয়া মজুমদার বলেন, উনাকে সকালে হাসপাতালে আনার পর প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে উন্নত চিকিৎসার জন্য কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে যেতে বলা হয়েছে। কিন্তু উনি বাড়িতে চলে যান। পরে বিকালে আবার অসুস্থতা অনুভব করলে পুনরায় হাসপাতালে আনার আগেই তিনি মারা যান। মানুষ মারা যাওয়ার ৬ ঘণ্টা পর্যন্ত শরীরের কোনো কোনো অংশ নড়াচড়া করতে পারে। কারণ তখনো শরীরের সব নার্ভ মারা যায় না।
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।


