
তিনি আরও বলেন, ‘সুবিধা বঞ্চিত শিশুরা জীবন সম্পর্কে কিছু বুঝে ওঠার আগেই তীব্র অর্থনৈতিক সংকটের কারণে ঝুঁকিপূর্ণ কাজে অর্থ উপার্জনের জন্য পরিবার ছেড়ে বেরিয়ে পড়ে। এতে তারা শিক্ষাবঞ্চিত হওয়া ছাড়াও পঙ্গুত্ববরণসহ অকালে মৃত্যুর মুখেও পতিত হয় অনেকেই। এসব সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের কল্যাণের জন্য দরকার শিক্ষা। তাই জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে এসব সুবিধা বঞ্চিত শিশুদের শিশুশ্রম নিরসনের লক্ষ্যে বিনামূল্যে পড়ালেখার দায়িত্ব নেয়া হবে।’
বৃহস্পতিবার (৮ জুন) বেলা ১১ টায় জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে জেলা শিশুশ্রম পরিবীক্ষণ কমিটির ৯ম সভায় সভাপতির বক্তৃতায় জেলা প্রশাসক এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, ‘ঝুঁকিপূর্ণ শিশুশ্রম বন্ধে সংশ্লিষ্ট সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে। শিশুদের লেখাপড়া, খাদ্য, স্বাস্থ্য ও মেধা বিকাশের জন্য অনুকূল পরিবেশ গড়ে তুলতে হবে। আমাদের উচিত ভবিষ্যতে তাদের সুনাগরিক হওয়ার জন্য সব ধরনের চেষ্টা অব্যাহত রাখা।’
জেলা প্রশাসক শামীম আহমেদ আরও বলেন, এসডিজির অভীষ্ট লক্ষ্য অর্জন এবং উন্নত সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গঠনে সব খাত থেকে শিশুশ্রম নিরসন অপরিহার্য। শিশুশ্রম নিরসনে সম্মিলিত প্রচেষ্টা বাড়াতে হবে। সবাইকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে তৃণমূল পর্যায়ে সচেতনতা বৃদ্ধি করতে পারলে এসডিজির অভীষ্ট লক্ষ্য অর্জন সম্ভব হবে।
এজন্য সংশ্লিষ্ট উপজেলা চেয়ারম্যান, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যানসহ সকল পর্যায়ের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের আরও উদ্যোগী হওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
রাজশাহী জেলা প্রশাসন এবং কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদফতরের আয়োজনে জেলা শিশুশ্রম পরিবীক্ষণ কমিটির আলোচনা সভায় আরও বক্তব্য রাখেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) কল্যাণ চৌধুরী, সোনার দেশ পত্রিকার সম্পাদক আকবারুল হাসান মিল্লাত, উত্তরবঙ্গ বেকারি মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক সেকেন্দার আলী, রাজশাহী মহানগর আওয়ামী লীগের শ্রম সম্পাদক মো. আব্দুস সোহেল, জাতীয় শ্রমিক লীগ রাজশাহী জেলা শাখার সভাপতি মো. আবদুল্লাহ খান।
কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদফতর (ডিআইএফই) রাজশাহীর উপমহাপরিদর্শক মো. আরিফুল ইসলাম অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন।
কারখানার শ্রমিক-মালিক প্রতিনিধিসহ অনেকেই এতে অংশগ্রহণ করেন।
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।



