
এ ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ক্লিনিকের আয়া ও গেইম্যানসহ দুইজনকে আটক করেছে পুলিশ।
নিহত সুমি খাতুন আটঘরিয়া উপজেলা ও আতাইকুলা থানার লক্ষীপুর গ্রামের সৈকত আলীর মেয়ে। তিনি বিগত কয়েক বছর সানরাইজ ক্লিনিক এন্ড হসপিটালে নার্স হিসেবে কর্মরত ছিলেন। বুধবার সকালে ক্লিনিকের একটি কক্ষে কর্মচারীরা তার মৃ’তদেহটি দেখতে পেয়ে পুলিশকে খবর দেয়।
পাবনা সদর থানার উপ- পরিদর্শক (এস.আই) উৎপল জানান, নার্সের গলায় দাগ দেখা গেছে। তবে দাগটি কিসের তাৎক্ষণিকভাবে বলা সম্ভব না। ময়না তদন্তের পর বিষয়টি স্পষ্ট হবে।
অন্যদিকে পাবনা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা(ওসি) ওবাইদুল হক ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে জানান, রাতে ডিউটিরত অবস্থায় তিনি মারা যান। এটি হ’ত্যা না আত্মহ’ত্যা তা খুঁজে বের করতে অনুসন্ধান চালাচ্ছে পুলিশ।
ওসি আরো জানান, ঘটনাস্থল থেকে ম’রদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাবনা জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।



