
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার সঙ্গে ফোনে আলাপকালে তিনি জানান, ঈদে শিমুলিয়া ঘাটে ডিইটিতে গিয়েছিলাম। এর পর থেকে গলায় কিছুটা খুসখুসে কাশি হচ্ছিল। তাই সন্দেহ দূর করতে গত পরশু সোয়াব দিয়েছিলাম। আজ রিপোর্টে পজিটিভ এসেছে। এখন বাংলোতেই হোম কোয়ারেন্টিনে আছি। আরো ১০ দিন পর দ্বিতীয় টেস্ট করালে বুঝতে পারব করোনা জয় করতে পারলাম কীনা।
লৌহজং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা একজন সৎ ও সজ্জন ব্যক্তি। করোনাকালে তাঁর কাজ লৌহজংবাসীর মন জয় করে আছে। তিনি সকাল-সন্ধ্যা-রাত অবধি কাজ করেছেন। যখনই কোনো করোনা রোগীর খবর পেয়েছেন সঙ্গে সঙ্গে সেখানে ছুটে গেছেন। লকডাউন করেছেন করোনা আক্রান্ত রোগীর বাড়ি। তাদের জন্য ত্রাণের ব্যবস্থা নিশ্চিত করেছেন।
হাটবাজার বন্ধসহ সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেছেন। তাঁর এই সাহসি কাজের জন্য লৌহজংয়ে করোনা ততটা ছাড়াতে পারেনি। তিনি ভয়ভীতি দূরে রেখে করোনা আক্রান্ত রোগীদের পাশে ছুটে গেছেন। তাঁর ভূমিকা নিসন্দেহে প্রশংসনীয়। কিন্তু আজ তিনি নিজেই করোনায় আক্রান্ত। তিনি সকলের কাছে তাঁর সুস্থতার জন্য দোয়া চেয়েছেন।
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।



