
স্থানীয় সূত্রে জানা যায় উত্তর চরবংশী ইউনিয়নের কাজী বাড়ির আলী হোসেন কাজীর পুত্র সুজনের (২২) সাথে একই বাড়ির যুবতীর প্রেমের সম্পর্ক ছিল। সম্পর্কের জের ধরে মেয়েটিকে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে মাস খানেক শারীরিক মেলামেশা করে সুজন। মঙ্গলবার রাতে তারা দু’জনে ফের অনৈতিক কাজে লিপ্ত থাকা অবস্থায় স্থানীয়দের হাতে ধরা পড়ে।
এক পর্যায়ে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের সাথে যোগসাজশে মাইনুদ্দীন কাজী ও স্বপন মেম্বার বিষয়টি ধামাচাপা দেয়। সরেজমিনে গেলে মঙ্গলবার বিকেলে যুবতীর মা বাংলাদেশ জার্নালকে বলেন, আমাদের অগোচরে মেয়েটিকে বিয়ে করবে বলে বিভিন্ন শপথ করে এবং ভয় ভীতি দেখিয়ে সুজন তার সাথে শারীরিক মেলামেশা করতে বাধ্য করে। আমি বিষয়টি জানতে পেরে স্থানীয় ইউপি সদস্য স্বপন কাজী ও মাইনুদ্দীন কাজীকে জানাই।
তারা বিষয়টি সমাধান করে দেবে বলে আমাদের আশ্বস্ত করলেও আমরা এখনো কোনো সমাধান না পাওয়ায় মেয়েটিকে নিয়ে চিন্তিত। আমাদের অসহায়ত্বের সুযোগ নিয়ে হুমকি-ধমকি দিয়ে ঘটনাটি ধামাচাপা দেয়ার অপচেষ্টা চালাচ্ছে। আমরা প্রশাসনের কাছে যেতে চাইলেও তারা আমাদেরকে সমাধান করে দেবে বলে যেতে দেয়নি।
এ বিষয় কথা হলে ইউপি সদস্য স্বপন কাজী ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, বিষয়টি আমাদের বাড়ির। আমরা পারিবারিকভাবে সমাধান করবো।
স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান মাস্টার আবুল হোসেন বলেন, বিষয়টি আমার জানা নেই। খোঁজ খবর নিয়ে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নেয়া হবে।
হাজিমারা ফাঁড়ি থানার পরিদর্শক (তদন্ত) আবুল কালাম আজাদের সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, এ ব্যাপারে কোনো অভিযোগ পাওয়া যায়নি। তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।



