
লটারির বিজয়ী জানিয়েছেন, প্রথম পুরস্কার পাওয়ার খবর জানতে পেরে লাফিয়ে উঠি আমি। তবে এখনো পুরস্কারের টাকা হাতে পাইনি। লটারি ইন্সপেক্টর তদন্তে এসে আমার ব্যাংকের সকল তথ্যসহ লটারির টিকিট নিয়ে গেছেন। আগামী ১০-১৫ দিনের মধ্যে আমার ব্যাংক অ্যাকাউন্টে পুরস্কারের টাকা ঢুকে যাবে। সরকারি সকল প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে।
বিজয়ীর ছেলে জানিয়েছেন, বাবা বিজয়ী হয়ে অনেক খুশি। তবে বছর খানেক আগে পুরস্কার পেলে আমাকে আর লেখাপড়া ছাড়তে হতো না। পুলিশের চাকরির ইচ্ছা ছিল আমার। কিন্তু অর্থ ও পারিবারিক সমস্যার জন্য তা হয়ে উঠেনি। এখন আমি বাবার ব্যবসার দেখভাল করছি।
তিনি আরও জানান, আমি লেখাপড়ার পাশাপাশি বেসরকারি একটি কাজে যুক্ত হয়েছি। উচ্চমাধ্যমিকে উত্তীর্ণ হওয়ার পর কলেজে পড়া হয়নি। ছোট বোন কলেজে পড়ে। ওর স্কুল শিক্ষিকা হওয়ার স্বপ্ন। ব্যাংক থেকে ঋণ নেয়া হয়েছে। পুরস্কারের টাকায় এসব ঋণ থেকে মুক্তি পাব আমরা। সকল স্বপ্ন পূরণ হবে আমাদের। দিন আনি দিন খাই, এভাবেই সংসার চলতো আমাদের। এখন বাবাকে দুঃস্থ শিক্ষার্থীদের পাশে দাঁড়ানোর জন্য বলব। সূত্র : জি-নিউজ
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।



