
এদিকে ফেরি ব্যবসায়ীরা বাড়ি বাড়ি ঘুরে আরও কম দামে ক্রয় করে ২-৩ টাকা লাভে আড়তে বিক্রি করছে। উপজেলার গোচর গ্রামের এক আম ব্যবসায়ী বলেন, আমার বাগানের প্রতিটি গাছে এখনও অনেক আম আছে। বাগানের কিছু আম বিক্রি করা হয়েছে, আরও বেশ কিছু আম রয়েছে। প্রতিদিন সকালে পাকা আম গাছ থেকে নামিয়ে আড়তে বিক্রি করি। আবার কখনও বাড়িতে রাখি, এই আম ফড়িয়ারা বাড়িতে এসে নিয়ে যায়। গ্রামে গ্রামে ঘুরে লক্ষণভোগ গাছ পাকা আম ক্রয় করে স্থানীয় আড়তে কেজিতে ২-৩ টাকা লাভে বিক্রি করি। সারাদিনে ১০০-১৫০ কেজি আম ঘুরে ঘুরে ক্রয় করতে পারি। উপজেলার আড়ানী পৌরবাজারের আড়তদার জানান, গাছ পাকা আম কিনে ঢাকায় চালান করি। এই আম ২০-২২ টাকা কেজি দরে বিক্রেতাদের কাছ থেকে ক্রয় করছি। এদিকে শনিবার স্থানীয় আড়তে কাঁচা আম লক্ষণভোগ ৭৫০-৮৫০ টাকা প্রতি মণ বিক্রি হচ্ছে। ল্যাংড়া ও খেরসাপাত ৩২০০-৩৫০০ টাকা এবং আম্রপালি ২৫০০-২৮০০ টাকায় প্রতি মণ কেনাবেচা হতে দেখা গেছে।
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।



