দেশের জ্বালানি তেলের বাজার স্থিতিশীল রাখতে মালয়েশিয়া থেকে ২৭ হাজার ৩০০ টন পরিশোধিত ডিজেল নিয়ে চট্টগ্রাম বন্দরে আসছে বিশালাকার ট্যাংকার ‘পিভিটি সোলানা’। আজ সোমবার (৩০ মার্চ) জাহাজটি বন্দরের বহির্নোঙরে পৌঁছানোর কথা রয়েছে।

বন্দর সূত্র জানায়, নির্ধারিত শিডিউল অনুযায়ী সোমবার বহির্নোঙরে আসার পর প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া শেষ করে মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) জাহাজটিকে ডলফিন জেটিতে বার্থিং করানো হবে। এরপরই শুরু হবে জ্বালানি তেল খালাসের মূল কার্যক্রম।
বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশনের (বিপিসি) একজন দায়িত্বশীল কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানিয়েছেন, শুধু সমুদ্রপথেই নয়, ভারতের নুমালিগড় রিফাইনারি লিমিটেড (এনআরএল) থেকেও পাইপলাইনের মাধ্যমে ইতিমধ্যে সাত হাজার টন ডিজেল দেশে এসে পৌঁছেছে। তবে ৩১ মার্চ ভারত থেকে আরও একটি পার্সেল আসার কথা থাকলেও কারিগরি কারণে তা দু-একদিন পিছিয়ে যেতে পারে।
চলমান বৈশ্বিক প্রেক্ষাপট ও মধ্যপ্রাচ্যের অস্থিরতার কারণে বিশ্বজুড়ে জ্বালানি সংকট তৈরি হয়েছে, যার প্রভাব বাংলাদেশেও দৃশ্যমান। এই পরিস্থিতি মোকাবিলায় চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ জ্বালানিবাহী জাহাজ খালাসকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিচ্ছে।
এ প্রসঙ্গে চট্টগ্রাম বন্দরের সচিব সৈয়দ রেফায়েত হামিম বলেন, বর্তমান বিশ্ব পরিস্থিতিতে জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থা সচল রাখা একটি বড় চ্যালেঞ্জ। দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আমরা অগ্রাধিকারভিত্তিতে তেলবাহী জাহাজ ভেড়ানো ও দ্রুত পণ্য খালাসে সব ধরনের সহযোগিতা দিচ্ছি। তিনি আরও জানান, এর আগে গত ২৬ মার্চ ৩১ হাজার টন ডিজেল নিয়ে আসা একটি জাহাজ দ্রুত খালাস শেষে বন্দর ত্যাগ করেছে।
বিপিসি ও বন্দর কর্তৃপক্ষের এই তৎপরতাকে দেশের অভ্যন্তরীণ বাজারে ডিজেলের নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহ বজায় রাখার একটি কার্যকর পদক্ষেপ হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্টরা।
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।


