সাইফুল ইসলাম : মানিকগঞ্জের ঘিওরে স্বামীকে বেঁধে রেখে দুই সন্তানের জননী এক গৃহবধূকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে একদল দুর্বৃত্তের বিরুদ্ধে। এই ঘটনায় গতকাল রবিবার (৭ জুন) ভুক্তভোগী গৃহবধূ বাদী হয়ে ঘিওর থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ভুক্তভোগী ওই নারী জেলার দৌলতপুর উপজেলার বাসিন্দা। তার আগের স্বামী প্রবাসে থাকার সুযোগে স্থানীয় এক ইটভাটা শ্রমিকের সঙ্গে মোবাইলে তার প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। এর জের ধরে গত দুই মাস আগে নিজের দুই সন্তানকে মায়ের বাড়িতে রেখে ওই শ্রমিকের সঙ্গে পালিয়ে গিয়ে বিয়ে করেন তিনি।
বিয়ের দুই মাস পর, গত শনিবার (৬ জুন) ওই নারী তার নতুন স্বামীকে সঙ্গে নিয়ে মায়ের বাড়িতে ফিরে আসেন। তবে তাদের এই বিয়ে মেনে নেয়নি পরিবার। স্থানীয় কিছু মানুষের সহায়তায় মায়ের বাড়ির লোকজন ওই দম্পতিকে বাড়ি থেকে তাড়িয়ে দেয়।
বাড়ি থেকে বিতাড়িত হয়ে ওই দম্পতি নিরাপদ আশ্রয়ের জন্য রওনা হন। পথিমধ্যে ঘিওরের বাসুদেববাড়ী এলাকায় পৌঁছালে রাত সাড়ে আটটার দিকে কয়েকজন দুর্বৃত্ত তাদের গতিরোধ করে। দুর্বৃত্তরা ওই নারীর নতুন স্বামীকে বেঁধে ফেলে এবং স্বামীকে আটকে রেখেই ওই গৃহবধূকে পালাক্রমে ধর্ষণ করা হয় বলে অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী নারী।
ঘটনার পরদিন, অর্থাৎ রবিবার সকালে ভুক্তভোগী গৃহবধূ ঘিওর থানায় হাজির হয়ে একটি মামলা দায়ের করেন। মামলায় একজনকে প্রধান আসামি এবং আরও ৬-৭ জনকে সহযোগী হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। তদন্তের স্বার্থে তাৎক্ষণিকভাবে আসামিদের নাম-পরিচয় প্রকাশ করেনি পুলিশ।
ঘিওর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মীর মাহবুবুর রহমান জানান, “গৃহবধূকে ধর্ষণের অভিযোগে মামলা রুজু করা হয়েছে। ভুক্তভোগীকে মেডিকেল পরীক্ষার জন্য হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে এবং মামলার অন্যান্য আলামত সংগ্রহের চেষ্টা চলছে। ঘটনার তদন্ত চলমান রয়েছে এবং জড়িত আসামিদের গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।”
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।



