মানবদেহের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গগুলোর একআর্থ্রাইটিস বা জয়েন্টের প্রদাহ এমন একটি দীর্ঘমেয়াদি সমস্যা, যা সঠিকভাবে নিয়ন্ত্রণে না রাখলে ধীরে ধীরে হাড় ও সংযোগস্থলের স্থায়ী ক্ষতি করতে পারে। এ বিষয়ে বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতালের রিউমাটোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ আবুল কালাম আজাদ জানিয়েছেন, কেবল ওষুধ সেবন করলেই যথেষ্ট নয়—নিয়মিত ফলোআপ ও স্বাস্থ্যকর জীবনযাপনই রোগ নিয়ন্ত্রণের মূল ভিত্তি।

তিনি বলেন, অনেক রোগী নিয়মিত ওষুধ খেলেও কাঙ্ক্ষিত ফল পান না। এর বড় কারণ হলো চিকিৎসকের সঙ্গে ধারাবাহিক যোগাযোগ না রাখা এবং প্রয়োজনীয় জীবনধারাগত পরিবর্তন না আনা। নিয়মিত ফলোআপের মাধ্যমে রোগীর জয়েন্টের বর্তমান অবস্থা মূল্যায়ন করা যায়। এতে ওষুধের মাত্রা প্রয়োজন অনুযায়ী সমন্বয় করা সম্ভব হয়, নতুন কোনো জটিলতা দ্রুত শনাক্ত করা যায় এবং রোগীর শারীরিক অবস্থা অনুযায়ী চিকিৎসা পরিকল্পনা সাজানো যায়।
রোগ নিয়ন্ত্রণে জীবনযাপনের পরিবর্তনও সমানভাবে গুরুত্বপূর্ণ। যেমন—
১. নিয়মিত ব্যায়াম: হালকা হাঁটা, যোগব্যায়াম কিংবা ফিজিওথেরাপি জয়েন্টের নড়াচড়া সচল রাখে এবং পেশির শক্তি বাড়ায়।
২. সুষম খাদ্যাভ্যাস: প্রোটিন, ভিটামিন ও প্রদাহনাশক উপাদানসমৃদ্ধ খাবার শরীরের প্রদাহ কমাতে সাহায্য করে।
৩. ওজন নিয়ন্ত্রণ: অতিরিক্ত ওজন জয়েন্টের ওপর বাড়তি চাপ সৃষ্টি করে, ফলে ব্যথা ও প্রদাহ বেড়ে যেতে পারে।
৪. মানসিক চাপ কমানো: অতিরিক্ত দুশ্চিন্তা বা মানসিক চাপ প্রদাহ বাড়াতে ভূমিকা রাখতে পারে। তাই পর্যাপ্ত ঘুম ও মানসিক প্রশান্তি জরুরি।
ডা. মোহাম্মদ আবুল কালাম আজাদ জোর দিয়ে বলেন, চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী ওষুধ গ্রহণের পাশাপাশি নিয়মিত ফলোআপ ও স্বাস্থ্যসম্মত জীবনযাপন অনুসরণ করলে আর্থ্রাইটিস নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব। এতে রোগীরা স্বাভাবিক দৈনন্দিন কাজকর্ম চালিয়ে যেতে পারেন।
সুতরাং, আর্থ্রাইটিস মোকাবিলায় শুধু ওষুধ নয়—নিয়মিত চিকিৎসা পর্যবেক্ষণ ও সচেতন জীবনধারাই দীর্ঘমেয়াদি সুস্থতার চাবিকাঠি।টি হলো কিডনি। রক্ত পরিশোধন, অতিরিক্ত তরল বের করে দেওয়া এবং দেহের লবণ-পানির ভারসাম্য ঠিক রাখার মতো গুরুত্বপূর্ণ কাজ করে এই অঙ্গ। কিন্তু বর্তমানে অতিরিক্ত ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ, ভেজাল ও রাসায়নিক মিশ্রিত খাবার এবং পরিবেশ দূষণের কারণে কিডনি রোগীর সংখ্যা আশঙ্কাজনকভাবে বাড়ছে।
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।


