রোজা শুরুর আগে বাগেরহাটের কাঁচাবাজারে লেবুর দাম দ্বিগুণের বেশি বেড়েছে। দুই থেকে তিন দিনের ব্যবধানে ২০-৩০ টাকা হালি বিক্রি হওয়া লেবু এখন ৬০-১০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। সেই হিসেবে একটি লেবুর দাম পড়ছে ২৫ টাকা। একইসঙ্গে বেড়েছে সব ধরনের সবজির দাম।

বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) শহরের বড় বাজার ঘুরে দেখা যায়—প্রতিকেজি খিরাই ১০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে, যা আগে ৬০ টাকা ছিল। এক সপ্তাহ আগেও টমেটোর দাম ছিল ৩০ টাকা, বর্তমানে বিক্রি হচ্ছে ৪০ টাকায়। কাঁচামরিচের দামও ঊর্ধ্বমুখী। পেঁয়াজের দাম কেজিতে ১৫ টাকা বেড়ে ৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। বেগুন বিক্রি হচ্ছে ৬০ টাকা কেজি দরে, যা আগে ছিল ৪০-৪৫ টাকা। শসা বিক্রি হচ্ছে ৮০ টাকায়, যা আগে ছিল ৫০ টাকা।
বাজারে কেনাকাটা করতে আসা নাহিদ ফরাজী নামে এক ক্রেতা বলেন, “রমজানের শুরুতেই দামের এমন ঊর্ধ্বগতি উদ্বেগজনক। পুরো রমজানে যেন নিত্যপণ্যের দাম নিয়ন্ত্রণে থাকে, সে জন্য বাজার মনিটরিং আরো জোরদার করতে হবে।”
ব্যবসায়ী শেখ আনোয়ার বলেন, “কাঁচামালের সরবরাহে সাময়িক ঘাটতির কারণে দাম বেড়েছে। গ্রামের হাটগুলোতে সরবরাহ কমে যাওয়ায় এর প্রভাব স্থানীয় বাজারে পড়েছে। সরবরাহ স্বাভাবিক হলে দামও কমে আসবে।”
রমজানকে ঘিরে বাজারে বাড়তি চাহিদার সুযোগ নিয়ে কেউ যাতে কৃত্রিম সংকট তৈরি করতে না পারে, সে বিষয়ে প্রশাসনের কঠোর নজরদারির দাবি জানিয়েছেন সচেতন মহল।
বাজার সংশ্লিষ্টরা জানান, জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে নিয়মিত বাজার মনিটরিং কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে। মূল্য তালিকা প্রদর্শন না করা, অতিরিক্ত দাম আদায় এবং ভেজাল পণ্যের অভিযোগে অসাধু ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে জরিমানা করা হচ্ছে। বাজার পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এ তদারকি অব্যাহত থাকবে।
আরও পড়ুন : ২০২৬ সালে যে ৮ দক্ষতা আপনাকে সফলতা এনে দেবে
জেলা বাজার কর্মকর্তা আব্দুস সালাম তরফদার বলেন, “রমজান উপলক্ষে দাম বাড়ার কোনো কারণ নেই। সরবরাহ কমায় কিছু পণ্যের দাম বেড়েছে। রমজান শুরু হলে স্বাভাবিক হয়ে যাবে। তবে আমরা কঠোর নজরদারি রাখছি, যাতে কেউ রমজান উপলক্ষে সুযোগ নিতে না পারে।”
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।


