নতুন সরকারের দায়িত্ব গ্রহণের পর বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত বিমানবন্দর ব্যবস্থাপনায় বড় ধরনের পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিয়েছেন। তিনি জানিয়েছেন, শুধু টিকিটিং ব্যবস্থাই নয়, পুরো বিমানবন্দর সেবাকে আধুনিক ও যাত্রীবান্ধব করে তুলতে সমন্বিত পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। এ কাজে সিভিল এভিয়েশনের চেয়ারম্যান ও সচিবসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলোচনা চলছে।

বুধবার সচিবালয়ে প্রথম কর্মদিবসে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে প্রতিমন্ত্রী বলেন, বিশেষ করে প্রবাসী যাত্রীরা দেশে ফিরে লাগেজ পেতে দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করেন—এ ভোগান্তি কমানোই এখন অগ্রাধিকার। পরিকল্পনা অনুযায়ী, যাত্রীরা ইমিগ্রেশন শেষ করার সময়েই যেন তাদের লাগেজ বেল্টে চলে আসে, সে লক্ষ্যেই ব্যবস্থা নেওয়া হবে। লাগেজ হ্যান্ডেলিংয়ে স্বচ্ছতা ও দক্ষতা বাড়িয়ে দুর্নীতি ও হয়রানি কমানোর কথাও জানান তিনি।
টিকিটিং ব্যবস্থায় সিন্ডিকেটের অভিযোগ প্রসঙ্গে প্রতিমন্ত্রী বলেন, অনেক সময় দেখা যায় বিমান আসন খালি থাকলেও সাধারণ যাত্রীরা টিকিট পান না। এর পেছনে অসাধু চক্রের ভূমিকা থাকতে পারে। এসব অনিয়ম দূর করতে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। দায়িত্ব গ্রহণের পরপরই সমস্যাগুলো চিহ্নিত করে সমাধানের পরিকল্পনা তৈরি করা হয়েছে বলে জানান তিনি। খুব দ্রুত দৃশ্যমান পরিবর্তন না এলেও এক থেকে দুই সপ্তাহের মধ্যেই ইতিবাচক অগ্রগতির আভাস পাওয়া যাবে বলে আশা প্রকাশ করেন।
গত ১৫ বছরের সম্ভাব্য দুর্নীতির বিষয়ে তদন্ত হবে কি না—এ প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, দুর্নীতির অভিযোগ এলে অবশ্যই তদন্ত করা হবে। ইতোমধ্যে অনেকে আইনের আওতায় এসেছে এবং পুরো খাতকে দুর্নীতিমুক্ত করতে ধারাবাহিক প্রচেষ্টা চালানো হবে। এ লক্ষ্যে সচিব ও সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে বৈঠক করে পরবর্তী পদক্ষেপ নির্ধারণ করা হবে।
পর্যটন খাত নিয়েও সরকারের দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা রয়েছে উল্লেখ করে প্রতিমন্ত্রী জানান, বিমান পরিবহন ও পর্যটন—উভয় খাতেই সুশাসন, স্বচ্ছতা ও আধুনিক সেবা নিশ্চিত করাই তাদের প্রধান লক্ষ্য।
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।


