চট্টগ্রাম নগরীর বর্জ্যকে সম্পদে রূপান্তর করে বিদ্যুৎ উৎপাদনের লক্ষ্যে বিনিয়োগে আগ্রহ প্রকাশ করেছে চীনের সিভিয়া-চায়না হার্বার-অর্চার্ড কনসোর্টিয়াম। নগরের আবর্জনা ব্যবহার করে ৩০ থেকে ৪০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের একটি প্রস্তাব তারা চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের (চসিক) কাছে উপস্থাপন করেছে।

বর্জ্য

Advertisement

মঙ্গলবার (২ জুন) টাইগারপাসে চসিক কার্যালয়ে আয়োজিত এক সভায় এই প্রস্তাব উপস্থাপন করা হয়। সভায় উপস্থিত ছিলেন চসিক মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন, প্রধান পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তা ক্যাপ্টেন ইখতিয়ার উদ্দিন আহমেদ চৌধুরী এবং কনসোর্টিয়ামের প্রতিনিধি দল।

সভায় চীনা প্রতিনিধি দল জানায়, বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদনে তাদের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতা রয়েছে। তারা ইতোমধ্যে ৪১টি আধুনিক বর্জ্যভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণ ও পরিচালনা করেছে। এসব প্রকল্পে পরিবেশবান্ধব প্রযুক্তি ব্যবহার করে নগর বর্জ্য ব্যবস্থাপনার পাশাপাশি জ্বালানি উৎপাদন করা হচ্ছে।

চসিক মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, চট্টগ্রাম দেশের অর্থনীতির একটি গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র। প্রতিদিন এখানে বিপুল পরিমাণ বর্জ্য উৎপন্ন হয়, যা সঠিক ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে সম্পদে রূপান্তর করা সম্ভব। উন্নত দেশগুলো ইতোমধ্যে বর্জ্যকে সম্পদ হিসেবে ব্যবহার করছে, আর চট্টগ্রামেও সেই আধুনিক ধারণা বাস্তবায়নের সময় এসেছে।

তিনি আরও বলেন, বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে একদিকে নগরের পরিবেশগত চাপ কমবে, অন্যদিকে নবায়নযোগ্য জ্বালানির নতুন উৎস সৃষ্টি হবে। এটি টেকসই নগর ব্যবস্থাপনায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

তবে মেয়র জানান, কোনো প্রকল্প বাস্তবায়নের আগে এর কারিগরি, অর্থনৈতিক ও পরিবেশগত দিক গভীরভাবে মূল্যায়ন করা হবে। পাশাপাশি নগরবাসীর স্বার্থকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হবে।

সভায় উভয় পক্ষ সম্ভাব্য প্রকল্পের বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা করে এবং ভবিষ্যতে আরও বিস্তারিত কারিগরি মূল্যায়ন ও সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের বিষয়ে মতবিনিময় হয়।

Zoom Bangla News
Zoom Bangla News
inews.zoombangla.com
Follow

Follow Zoom Bangla News On Google

Open the Google follow page and tap the checkmark option to receive more updates from Zoom Bangla News in your Google news feed.

Follow Zoom Bangla News On Google

Mynul Islam Nadim is a journalist at Zoom Bangla News, contributing to news writing and editorial support. He is involved in refining content to ensure accuracy, clarity, and consistency for digital platforms. His work reflects a commitment to responsible journalism and audience-focused reporting.