খুলনা-মোংলা মহাসড়কের বেলাই সেতুর দক্ষিণ পাশে এখনো ছড়িয়ে আছে শিশুদের পানির ফিডারের অংশ, কয়েক জোড়া জুতা এবং অসংখ্য কাচের টুকরো। এগুলোই যেন সাক্ষ্য দিচ্ছে ভয়াবহ সেই সড়ক দুর্ঘটনার, যেখানে প্রাণ হারিয়েছেন ১৪ জন।

বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) বিকেলে খুলনা–মোংলা মহাসড়কের বেলাই ব্রিজ এলাকায় নৌবাহিনীর একটি স্টাফ বাসের সঙ্গে একটি মাইক্রোবাসের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে ঘটনাস্থলেই ও হাসপাতালে নেওয়ার পর মোট ১৪ জনের মৃত্যু হয়।
দুর্ঘটনার প্রায় ১৬ ঘণ্টা পেরিয়ে গেলেও ঘটনাস্থলে এখনো ভিড় করছেন স্থানীয় বাসিন্দা ও উৎসুক মানুষ। অনেকেই সেখানে ছড়িয়ে থাকা কাচের টুকরো, জুতা ও বিভিন্ন সামগ্রী দেখে মর্মাহত হচ্ছেন।
প্রত্যক্ষদর্শী রফিকুল ইসলাম বলেন, জীবনে এত বড় দুর্ঘটনা দেখিনি। আমি তখন মাঠ থেকে গরু নিয়ে ফিরছিলাম।
হঠাৎ বিকট শব্দ শুনে প্রথমে ভেবেছিলাম গরুটা হয়তো বাসের সামনে পড়ে গেছে। পরে দেখি দুই গাড়ির মুখোমুখি সংঘর্ষ। চারদিকে রক্ত আর আহত মানুষ-এত মানুষকে একসঙ্গে এভাবে কখনো দেখিনি।
শুধু রফিকুল ইসলামই নন, এলাকার অনেক মানুষ ঘটনাস্থলে এসে নিহতদের প্রতি প্রকাশ করছেন শোক সমবেদনা।
এদিকে, খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ও রামপাল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে গভীর রাতে ময়নাতদন্ত ছাড়াই নিহতদের মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। নিহতদের মধ্যে মোংলার ৯ জনের জানাজা জুমার নামাজের পর অনুষ্ঠিত হবে।
জানাজায় বন, পরিবেশ ও জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম অংশ নেওয়ার কথা রয়েছে।
আরও পড়ুন : ২০২৬ সালে যে ৮ দক্ষতা আপনাকে সফলতা এনে দেবে
কাটাখালি হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জাফর আহমেদ বলেন, পরিবারের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে নিহতদের মরদেহ ময়নাতদন্ত ছাড়াই স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।


