ঈদ মানেই নতুন জামা-কাপড়ের সঙ্গে নতুন জুতার আনন্দ। কিন্তু অনেক সময় এই আনন্দ অল্প সময়ের মধ্যেই অস্বস্তিতে পরিণত হয়। নতুন জুতা পরে কিছুক্ষণ হাঁটার পরই পায়ের গোড়ালি, আঙুলের পাশ বা তলায় ফোসকা পড়ে যায়। এতে হাঁটাচলা কষ্টকর হয়ে ওঠে। বিশেষ করে ঈদের দিন দীর্ঘ সময় বাইরে থাকা, আত্মীয়দের বাড়ি যাওয়া বা ঘোরাঘুরির কারণে এই সমস্যা আরও বেড়ে যেতে পারে। তবে কিছু সহজ যত্ন ও ঘরোয়া পদ্ধতি অনুসরণ করলে ফোসকা প্রতিরোধ এবং দ্রুত আরাম পাওয়া সম্ভব।

নতুন জুতার সঙ্গে পায়ের ঘর্ষণ বেশি হয়। জুতা যদি যথেষ্ট নরম না হয় বা পায়ের সঙ্গে পুরোপুরি মানিয়ে না নেয়, তাহলে ত্বকে চাপ পড়ে ফোসকা তৈরি হয়। সাধারণত গোড়ালি, বুড়ো আঙুলের নিচে এবং কনিষ্ঠ আঙুলের পাশে এই সমস্যা বেশি দেখা যায়।
ঈদের আগে যেসব প্রস্তুতি নেবেন
নতুন জুতা সরাসরি বাইরে পরে না বেরিয়ে আগে ঘরে কিছুক্ষণ পরে হাঁটা উচিত। এতে জুতা পায়ের সঙ্গে মানিয়ে নিতে সময় পায় এবং কোথায় চাপ পড়ছে তা আগে থেকেই বোঝা যায়। অস্বস্তি অনুভূত হলে আগে থেকেই ব্যান্ডেজ ব্যবহার করা যেতে পারে। এছাড়া ভ্যাসলিন বা ঘর্ষণ কমানোর জেল ব্যবহার করলে ত্বকে সুরক্ষা তৈরি হয় এবং ফোসকা পড়ার ঝুঁকি কমে।
জুতা পরার সময় যেসব বিষয় খেয়াল রাখবেন
সঠিক সাইজের জুতা বেছে নেওয়া জরুরি। খুব টাইট জুতা এড়িয়ে চলা উচিত। আরাম বাড়াতে ইনসোল ব্যবহার করা যেতে পারে। দীর্ঘ সময় হাঁটার আগে পায়ে হালকা ময়েশ্চারাইজার লাগালে ঘর্ষণ কমে।
ফোসকা হলে করণীয়
ফোসকা হয়ে গেলে কিছু ঘরোয়া উপায়ে আরাম পাওয়া যায়। নারকেল তেল বা মধু লাগালে জ্বালা কমে, অ্যালোভেরা জেল দ্রুত আরাম দেয়, আর বরফ হালকা ঘষলে ব্যথা ও ফোলাভাব কমে। চাইলে ঠান্ডা গ্রিন টি পানিতে ভিজিয়েও ব্যবহার করা যায়।
দিনে ২–৩ বার যত্ন নিলে ধীরে ধীরে সমস্যা ভালো হয়ে যায়। তবে ফোসকা বড় হয়ে গেলে, পুঁজ বের হলে বা ব্যথা বাড়লে দেরি না করে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি।
সূত্র: টুডেডটকম
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।



