বিশ্বকাপ ফুটবলের রোমাঞ্চকে ঘরে বসেই আরও বাস্তব ও প্রাণবন্ত করে তুলতে বাংলাদেশের বাজারে ৯৮ ইঞ্চি আকারের বিশাল ক্রিস্টাল আল্ট্রা হাই ডেফিনিশন (ইউএইচডি) টেলিভিশন এনেছে স্যামসাং। ইউ৯০০এইচ নামের এই মডেলটি দেশের বাজারে প্রথমবারের মতো এত বড় পর্দার টেলিভিশন হিসেবে ফুটবলপ্রেমীদের জন্য নতুন অভিজ্ঞতা নিয়ে এসেছে।

নতুন এই টেলিভিশনে রয়েছে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক ‘ফুটবল মোড’ এবং ‘রং উন্নয়ন প্রযুক্তি’। এসব সুবিধা স্বয়ংক্রিয়ভাবে পর্দার রং, উজ্জ্বলতা ও দৃশ্যের মান নিয়ন্ত্রণ করে। ফলে মাঠের সবুজ ঘাস, দর্শকসারি ও আলোকসজ্জা অনেক বেশি বাস্তবধর্মী ও প্রাণবন্তভাবে উপভোগ করা যায়।
দ্রুতগতির খেলাধুলার দৃশ্য যেন ঝাপসা না হয়, সে জন্য এতে ব্যবহার করা হয়েছে উন্নত গতিনিয়ন্ত্রণ প্রযুক্তি। এর ফলে বলের গতি, খেলোয়াড়দের দৌড় কিংবা দ্রুত পরিবর্তিত দৃশ্যও স্পষ্ট ও মসৃণভাবে দেখা যায়।
চিত্রের মান আরও উন্নত করতে এতে যুক্ত করা হয়েছে অত্যাধুনিক কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা চালিত প্রসেসর ও চারকে মানোন্নয়ন প্রযুক্তি। এসব প্রযুক্তি একসঙ্গে কাজ করে ছবির স্বচ্ছতা, গভীরতা ও বৈপরীত্য বৃদ্ধি করে। একই সঙ্গে উন্নত শব্দব্যবস্থাও নিশ্চিত করে।
শুধু চিত্র নয়, শব্দের দিকেও বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক শব্দ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা পরিবেশের অপ্রয়োজনীয় শব্দ থেকে কণ্ঠস্বর আলাদা করতে পারে। ফলে ধারাভাষ্য আরও পরিষ্কার শোনা যায় এবং দর্শকরা ঘরে বসেই স্টেডিয়ামের মতো পরিবেশ অনুভব করতে পারেন।
এ ছাড়া এতে রয়েছে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা নির্ভর সহায়ক প্রযুক্তি, যা ব্যবহারকারীর পছন্দ ও আগ্রহ বুঝে বিভিন্ন তথ্য প্রদান করতে পারে। খেলা, চলচ্চিত্র বা অন্য কোনো বিষয়ে প্রশ্ন করলে তাৎক্ষণিকভাবে প্রয়োজনীয় তথ্য পাওয়ার সুযোগও রয়েছে।
নতুন টেলিভিশন উন্মোচন উপলক্ষে স্যামসাং বাংলাদেশের ভোক্তা ইলেকট্রনিকস বিভাগের ব্যবসা প্রধান শাহরিয়ার বিন লুৎফর বলেন, বিশ্বকাপের আবেগ ও উত্তেজনাকে দর্শকদের আরও কাছাকাছি পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যেই এই বৃহৎ পর্দার টেলিভিশন বাজারে আনা হয়েছে। তার মতে, এর মাধ্যমে দর্শকরা গ্যালারিতে বসে খেলা দেখার মতো অনুভূতি পাবেন।
দীর্ঘমেয়াদি ব্যবহারের সুবিধার্থে টেলিভিশনটিতে সাত বছর পর্যন্ত পরিচালনব্যবস্থা হালনাগাদের সুবিধা রাখা হয়েছে। ফলে আগামী বছরগুলোতেও নতুন নতুন প্রযুক্তিগত সুবিধা উপভোগ করা যাবে।
বাংলাদেশের বাজারে ৯৮ ইঞ্চি আকারের এই ক্রিস্টাল ইউএইচডি টেলিভিশনের মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ৪ লাখ ৫৯ হাজার ৯০০ টাকা। দেশের বিভিন্ন অনুমোদিত বিক্রয়কেন্দ্রে এটি পাওয়া যাচ্ছে।
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।



