ইফতারের টেবিলে দই-চিড়া একটি পরিচিত এবং আরামদায়ক খাবার। হালকা, ঠান্ডা ও সহজপাচ্য হওয়ায় অনেকেই রোজা ভাঙেন এটি দিয়ে।

পুষ্টিগুণ:
-চিড়া মূলত চাল থেকে তৈরি, তাই এটি কার্বোহাইড্রেটের ভালো উৎস। রোজার পর শরীরের গ্লুকোজের ঘাটতি দ্রুত পূরণে সাহায্য করে।
-দই প্রোটিন, ক্যালসিয়াম এবং প্রোবায়োটিক ব্যাকটেরিয়া সরবরাহ করে, যা হজমে সহায়ক এবং অন্ত্রের স্বাস্থ্যের জন্য ভালো।
-দুইয়ের সংমিশ্রণ শরীরকে দ্রুত শক্তি দেয় এবং পেটের ওপর অতিরিক্ত চাপ ফেলে না।
সীমাবদ্ধতা:
-শুধু দই-চিড়া পুরো পুষ্টি সরবরাহ করতে পারে না। এতে প্রোটিন ও স্বাস্থ্যকর ফ্যাট কম থাকে।
-মিষ্টি দইতে চিনি বেশি থাকে। সারাদিন রোজার পর প্রয়োজন পর্যাপ্ত প্রোটিন, ভিটামিন, খনিজ ও তরল।
কী করা উচিত:
দই-চিড়াকে আরও পুষ্টিকর করতে এতে ফল (যেমন কলা, আপেল, পেঁপে), বাদাম বা চিয়া সিড যোগ করা যেতে পারে। এতে ফাইবার, স্বাস্থ্যকর ফ্যাট এবং অতিরিক্ত ভিটামিন পাওয়া যায়।
ইফতারে পর্যাপ্ত পানি বা লেবু-পানি রাখা জরুরি, যাতে ডিহাইড্রেশন কমে।
ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য: চিড়া উচ্চ গ্লাইসেমিক, তাই পরিমাণ নিয়ন্ত্রণ করুন। মিষ্টি দইয়ের বদলে টকদই ব্যবহার করুন। প্রোটিন ও ফাইবার যোগ করলে রক্তে শর্করার ওঠানামা নিয়ন্ত্রণে রাখা যায়।
দই-চিড়া ইফতারের জন্য একটি ভালো শুরু হতে পারে, তবে একে একমাত্র খাবার হিসেবে নয়। অন্যান্য পুষ্টিকর খাবার যোগ করে সুষম খাদ্যতালিকার অংশ করতে হবে। পুষ্টিতে ভারসাম্যই রোজার স্বাস্থ্যরক্ষা কৌশলের মূল চাবিকাঠি।
সূত্র: হার্ভার্ড টি.এইচ. চ্যান স্কুল অব পাবলিক হেলথ, ওয়েবএমডি, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।


