জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধিতে বেজায় খুশি হয়েছেন পেট্রোলপাম্প মালিকরা। সেই খুশিতে সরকারকে ধন্যবাদ আর কৃতজ্ঞতাও জানিয়েছেন তেল ব্যবসায়ীরা। কিন্তু তেল ব্যবসায়ীরা এত খুশি কেন—এমনটি নিয়ে প্রশ্ন জেগেছে অনেকের মনে। ইতোমধ্যে ফেসবুকে এসব নিয়ে আলোচনাও শুরু হয়েছে। এদিকে এর আগে তেলের দাম বৃদ্ধির পর এভাবে ধন্যবাদ দেওয়ার মতো ঘটনা আর ঘটেনি। কেউ কেউ তো রসিকতা করে বলছেন, পেট্রোল পাম্প মালিকরা কেবল সরকারের পক্ষে মিছিল করতে বাকি রেখেছেন।

কিন্তু এই খুশির কারণ কী—কেউ কি জানেন? কেউ কেউ মনে করছেন, সংকটের সুযোগে মজুত করে রেখেছেন এখন সেই তেল বের করে রাতারাতি পয়সা বানাবেন অনেকে। কিন্তু এর পরিমাণ খুব যে বেশি হবে এমন তো নয়। মূল কারণটি হচ্ছে তেল বিক্রিতে লিটারপ্রতি একটি কমিশন পেয়ে থাকেন পেট্রোল পাম্প মালিকরা। তেলের দাম বৃদ্ধির সঙ্গে সেই কমিশনের পরিমাণও বেড়ে যায়। যেহেতু তেলের দাম বেড়েছে, তাই কমিশনও বাড়বে, বাড়বে স্থায়ী আয়। ফলে খুশি না হয়ে আর উপায় আছে।
সম্প্রতি তেলের দাম বৃদ্ধির প্রজ্ঞাপনে সরকারের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে ডিলার এবং এজেন্টরা সরাসরি লিটারপ্রতি ডিজেল বিক্রিতে ৩ দশমিক ১৬ টাকা, কেরোসিনে ২ দশমিক ৫৩ টাকা, অকটেনে ৫ দশমিক ৭১ টাকা এবং পেট্রোলে ৫ দশমিক ৫৭ টাকা করে কমিশন পাবেন।
তবে জনগণের ভোগান্তি হলেও কমিশন বৃদ্ধির এই খুশি প্রকাশ করায় সরকারকে ধন্যবাদ দিয়ে বিপাকে আছেন তেল ব্যবসায়ীরা। হঠাৎ এই খুশির কারণ কী—জানতে চাইলে কেউ সংবাদমাধ্যমে প্রকাশ্যে বক্তব্য দিতে চাইছেন না। এই প্রতিবেদক কয়েকজনের সঙ্গে যোগাযোগ করলে তারা বিষয়টি এড়িয়ে যান।
আরও পড়ুন : ২০২৬ সালে যে ৮ দক্ষতা আপনাকে সফলতা এনে দেবে
একজন পাম্প-মালিক অবশ্য নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানিয়েছেন, “কমিশনের তো একটা বিষয় আছেই। দাম বাড়লে কমিশন বাড়ে। এতে তাদের কিছুটা স্বস্তিও হয়।”
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।


