দেশে জ্বালানি সংকট না থাকার দাবি থাকলেও প্রতিদিন ৬ থেকে ১০ ঘণ্টা লোডশেডিং কেন হচ্ছে—এমন প্রশ্ন তুলেছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ও বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান।

তিনি বলেন, জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় সরকার, সংসদ এবং সংসদের বাইরে থাকা সব পক্ষের একসঙ্গে কাজ করা দরকার ছিল। কিন্তু বাস্তবে সে ধরনের কোনো সমন্বিত উদ্যোগ দেখা যাচ্ছে না।
শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) রাজধানীর মগবাজারে আল ফালাহ মিলনায়তনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর জেলা আমিরদের সম্মেলনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি আরও বলেন, বর্তমান যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে জ্বালানি সংকট তৈরি হয়েছে। এ অবস্থায় সবাইকে এক হয়ে কাজ করা প্রয়োজন ছিল, কিন্তু তা হয়নি। বরং বলা হচ্ছে দেশে জ্বালানির কোনো ঘাটতি নেই, আবার কিছু লোক তেল মজুত করে চোরাচালানের মাধ্যমে বিক্রি করছে বলেও অভিযোগ ওঠে।
তিনি এসব বক্তব্যকে সরকারের ব্যর্থতা হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, এর ফলে সাধারণ মানুষের ভোগান্তি আরও বাড়ছে। জনগণ কি জানে না কোথা থেকে তেলের ড্রাম উদ্ধার হচ্ছে—এমন প্রশ্নও তোলেন তিনি।
লোডশেডিং প্রসঙ্গে তিনি বলেন, যদি সত্যিই দেশে জ্বালানি সংকট না থাকে, তাহলে প্রতিদিন ৬ থেকে ১০ ঘণ্টা লোডশেডিং কেন হচ্ছে—এর জবাব সরকারকে দিতে হবে।
এছাড়া তিনি বলেন, যেদিন গণভোটের রায় অস্বীকার করা হয়েছে, সেদিন থেকেই নতুন এক ধরনের ফ্যাসিবাদের সূচনা হয়েছে। তার মতে, অতীতের তুলনায় ভবিষ্যতের ফ্যাসিবাদ আরও ভয়াবহ হতে পারে।
বিচারব্যবস্থা নিয়েও মন্তব্য করে তিনি বলেন, উচ্চ আদালতে বিচারক নিয়োগে একটি নিরপেক্ষ কমিটি গঠনের জন্য অধ্যাদেশ জারি করা হলেও তা বাধাগ্রস্ত হয়েছে। এতে দলীয় প্রভাব বিস্তারের সুযোগ তৈরি হচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, দলীয়ভাবে বিচারক নিয়োগের কারণে বিচারপতি খায়রুল হক, শামসুদ্দিন মানিক এবং শপথবদ্ধ রাজনীতিবিদ হিসেবে পরিচিত এনায়েতুর রহিমের মতো ব্যক্তিত্ব তৈরি হয়েছে, যার নেতিবাচক প্রভাব দেশবাসী বহন করছে।
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।


