অন্তর্বর্তী সরকার ১৩৩টি অধ্যাদেশ প্রণয়ন করেছে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। তিনি মঙ্গলবার (১০ মার্চ) সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতি মিলনায়তনে জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের আয়োজিত ইফতার মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এ তথ্য জানান।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনে এসব অধ্যাদেশ উপস্থাপন করা হবে। তবে কোন অধ্যাদেশ কীভাবে গৃহীত হবে, তা নির্ধারণের এখতিয়ার সম্পূর্ণভাবে জাতীয় সংসদের।
তিনি আরও বলেন, “এর বাইরে আরও একটি আদেশ জারি করা হয়েছে, যার নাম হলো ‘জুলাই জাতীয় সনদ (সংবিধান সংস্কার) বাস্তবায়ন আদেশ’। এটি কি ম্যাসকুলিন, ফেমিনিন, নাকি কমন জেন্ডার—আমি সঠিকভাবে জানি না।”
ইফতার মাহফিলে সভাপতিত্ব করেন ফোরামের সভাপতি অ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদীন। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন ভূমি প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার কায়সার কামাল। এছাড়া সুপ্রিম কোর্ট বারের সভাপতি ব্যারিস্টার এ এম মাহবুব উদ্দিন খোকনও বক্তব্য রাখেন।
সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, “বাংলাদেশের সংবিধান গৃহীত হওয়ার আগে আদেশ জারির ক্ষমতা ছিল স্বাধীনতার ঘোষণাপত্রের ভিত্তিতে। ১৯৭৩ সালে জাতীয় সংসদের নির্বাচনের পর রাষ্ট্রপতি অর্ডিন্যান্স জারি করার ক্ষমতা পান। সংবিধান গৃহীত হলে এই ক্ষমতা শেষ। তখন আমরা প্রশ্ন তুলেছিলাম এবং বলেছিলাম, আরোপিত কোনও আদেশের মাধ্যমে সার্বভৌম জাতীয় সংসদের ক্ষমতা হ্রাস পাবে না, কারণ সংসদ নির্বাচিত হয়ে এসেছে সাংবিধানিকভাবে।”
তিনি আরও বলেন, “জুলাই জাতীয় সনদের প্রতি আমরা শতভাগ অঙ্গীকারবদ্ধ। এটি একটি রাজনৈতিক সমঝোতার দলিল, যা আমরা স্বাক্ষর করেছি। যারা সমালোচনা করছে, তারা সম্প্রতি নির্বাচনের পর স্বাক্ষর করেছে। বিরোধী দল বলছে, সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে শপথ নিতে হবে। আমাদের বক্তব্য, গণভোটের ফলকে সম্মান দিতে হলে আগে সংসদে যেতে হবে। এরপর শপথ সংবিধান অনুযায়ী হবে। যেসব ব্যক্তিকে জবরদস্তিমূলক শপথ পড়ানো হয়েছে, সেটি সংবিধান অনুসারে হয়েছে কি না, তা সুপ্রিম কোর্ট নির্ধারণ করবে। বিচারকরা শপথ নিয়েছেন সংবিধান সংরক্ষণের জন্য।”
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।


